নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন করল লক্ষ্মীবিলাস ব্যাংকের সঙ্গে‌ ডিবিএস ব্যাংক ইন্ডিয়া লিমিটেড (ডিবি আই এল) এর সংযুক্তিকরণ। এই প্রকল্প অনুমোদনের ফলে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাংক ডিবি আই এল-এর সঙ্গে মিশে যাবে।

যেদিন থেকে তা করা হবে তার পাশাপাশি গ্রাহকদের টাকা তোলার ক্ষেত্রে যে নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছিল সেটাও উঠে যাব। গত সপ্তাহে রিজার্ভ ব্যাংক লক্ষ্মী বিলাস ব্যাংকের উপর এক মাসের জন্য মোরাটোরিয়াম জারি করল। বলা হয়েছিল ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যে ছটা থেকে কার্যকর হচ্ছে এবং তা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা লাঘু থাকবে।

এই ৩০ দিন নগদ তোলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনা হয় ফলে ২৫ হাজারের বেশি টাকা কেউ তুলতে পারবে না। শুধুমাত্র চিকিতসাজনিত কারণ অথবা একেবারে জরুরী কোনও অবস্থায় ২৫,০০০ টাকার বেশি তোলার অনুমতি দেওয়া হবে।

সমান্তরালভাবে রিজার্ভ ব্যাংক সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার কথা ভেবে লক্ষ্মীবিলাস ব্যাংকে প্রশাসক নিয়োগ করে। তবে ইতিমধ্যেই আর্থিক সঙ্কটে থাকা লক্ষ্মীবিলাস ব্যাংককে ডিবিএস ব্যাংকের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার প্রস্তাবে আপত্তি তোলে ইউনিয়ন।

ব্যাংক অফিসারদের সংগঠন আইবক প্রশ্ন তোলে কেন এভাবে কোনরকম বিনা প্রতিযোগিতায় একটি বিদেশি ব্যাংককে দেশিয় ব্যাংকিং ক্ষেত্রে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এই সংগঠনটি প্রস্তাব দিয়েছে এই অবস্থায় বরং লক্ষ্মীবিলাস ব্যাংককে কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হোক ‌। পাশাপাশি এভাাবে সংযুক্তিকরণে আপত্তি তুলেছিল শেয়ারহোল্ডাররা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।