নয়াদিল্লি: বিগত কয়েকদিন ধরে পেঁয়াজের দাম বাড়ার ফলে নাভিশ্বাস উঠেছিল সাধারণ মানুষের। ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছিল দাম। যার ফলে ভুক্তভোগী হতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষ। অবশেষে দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র।

বুধবার মন্ত্রীসভা বাজারে পেয়াজের দাম কম করার জন্য ১.২ লক্ষ টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্তকে অনুমোদন দিয়েছে। দলীয় বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের সামনে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

যদিও এর আগে কেন্দ্রীয় খাদ্য সরবরাহ মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান রাস্ত্রায়ত্ত সংস্থা এমএমটিসিকে এক লক্ষ পেঁয়াজ আমদানি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পেঁয়াজের দাম কমানোর জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছিল। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বিশ্ববাজার থেকে ৪,০০০ টন পণ্য কেনার জন্য দরপত্র দেওয়া হয়ে গিয়েছে। দাম কমানোর জন্য সরকার বেসরকারি আমদানি সহ অন্যান্য নিয়মাবলীতেও ছাড় দিয়েছে।

আরও পড়ুন – মাত্র ২০ শতাংশ কৃষক ঋণ পেয়েছে, জানাচ্ছে তথ্য

পেঁয়াজের দাম কমানোর ক্ষেত্রে এর আগেও চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সেভাবে কোন সুরাহা না পাওয়াতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের রাজধানীতে এই মুহূর্তে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৬০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য জায়গাতেও ক্রমেই এর দাম আকাশ ছুঁয়েছে। যার ফলে ক্রেতারা পেঁয়াজ কেনার সাহস দেখাতে পারছে না। ২০১৯-২০ সালে খারিফ মরসুমে ২৬ শতাংশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রায় ৫২.০৬ লাখে। যার প্রভাব পেঁয়াজের দামের উপরে পড়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে।

১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সারা ভারত জুড়ে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ৬০.৩৮ টাকার কাছাকাছি ছিল। যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশী। গত বছর এই একই সময়ে পেঁয়াজের দাম ছিল ২২.৮৪ টাকা প্রতি কেজিতে। পেঁয়াজ আমদানির মান বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার রফতানি নিষিদ্ধকরণ, ব্যবসায়ীদের উপর মজুতের সীমাবদ্ধকরণসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।