কলকাতা: সৌরভের বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা উঁকি দেওয়া যাবৎ অত্যন্ত ঔৎসুক্য ছিল সিএবি’র অন্দরমহলে৷ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মহারাজ বিসিসিআই-এর মসনদে আসীন হওয়ার পর সেই ঔৎসুক্যটা উদ্দীপণায় পরিণত হয়৷ শেষমেশ ঘরের ছেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় ক্রিকেটবোর্ডের দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর উৎসবের মেজাজ বাংলার ক্রিকেটমহলে৷

আরও পড়ুন: সৌরভের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্রাম দেওয়া হল বিরাটকে

মনোনয়োন জমা দিয়ে সৌরভ শহরে ফেরার পর একপ্রস্ত বরণপর্ব চলে সিএবি’তে৷ বিমানবন্দর থেকে ইডেনের ক্লাবহাউস পর্যন্ত যাত্রাপথে সৌরভকে নিয়ে ছিল প্রবল উদ্দীপণা৷ সিএবির ক্লাব হাউস সাজানো হয়েছিল ফুল দিয়ে৷ ইডেনের ইতিউতি সৌরভের বিশাল ছবি লাগানো হয়েছে তখনই৷ পরে ক্লাবহাউসে সিএবি কর্তাদের পাশে নিয়ে কেকও কাটেন সৌরভ৷ তখনই স্থির হয়েছিল যে, সরাকারিভাবে বোর্ড সভাপতির পদে বসার পর সৌরভকে রাজকীয় সংবর্ধনা দেবে বাংলার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন৷

আরও পড়ুন: স্বপ্নের টেস্ট অভিষেকের পরেও বাদ পড়ে হতাশ নন নদিম

সেই মতো শুক্রবার মহারাজের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সিএবি৷ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার দুই প্রাক্তন তারকা মহম্মদ আজহারউদ্দিন ও ভিভিএস লক্ষ্মণকে৷ দুই হায়দরাবাদী তারকাই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে হাজির হওয়ার সম্মতি জানিয়েছেন৷ আজহার ও লক্ষ্মণ, দু’জনই আসছেন সৌরভের নতুন বিসিসিআই সভাপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে৷

সৌরভের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হলে নবগঠিত ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক মালহোত্রাকেও৷ রুপোর স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হবে সৌরভ ও মালহোত্রাকে৷

আরও পড়ুন: ক্রিকেটারদের জন্য মাঠে জল বইলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌরভের বোর্ডের মসনদে অভিষেকের সময় বিসিসিআইয়ের হেডকোয়ার্টারে উপস্থিত ছিলেন সিএবি সচিব অভিষেক ডালমিয়া৷ দীর্ঘ একটা সময় যে সিহাসনে নিজের বাবাকে বসতে দেখেছেন, সেখানে পুনরায় আর এক বঙ্গসন্তানের আসীন হওয়ার সময় আবেগপ্রবণ ছিলেন অভিষেক৷ সৌরভের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা অভিষেক জোর গলায় জানাচ্ছেন, যে এমন পরিস্থিতি থেকে ভারতীয় ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় তুলে নিয়ে যেতে পারেন কেবল সৌরভই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.