নয়াদিল্লি:আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতে সংখ্যালঘুদের ‘সঙ্কট’ নিয়ে তোপ দাগলেন। শুধু তাই নয় তিনি হুমকি দেন, এই নাগরিকত্ব আইনের জেরে শুধুমাত্র উদ্বাস্তু সমস্যা হবে না, পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলিকে ঠেলে দেবে যুদ্ধের দিকে ৷ যদিও এর কিছুক্ষণের মধ্যেই পাক প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর নিজের দেশের সংখ্যালঘুদের অবস্থার কথা চিন্তা করতে বলেছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক।

মঙ্গলবার জেনেভায় বিশ্ব শরণার্থী সম্মেলনের মঞ্চে ইমরান কাশ্মীর সমস্যা ও নাগরিকত্ব আইনের প্রসঙ্গ তোলেন। দাবি করেন, ভারতে কয়েক লক্ষ মুসলমান এখন বিপন্ন। পাক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য,ভারতে রিফিউজি সমস্যার তুলনায় অন্য সমস্যাগুলি নিতান্তই নগন্য। ফলে তিনি এই বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁর আংশকা, যে কোনও দিন ভারত ছাড়তে হতে পারে লক্ষ লক্ষ মুসলিম শরণার্থীকে। পাশাপাশি শুনিয়ে রেখেছেন, এই ভারতীয় সংখ্যালঘুদের জায়গা দেওয়ার মতো অবস্থা নেই পাকিস্তানের ৷

ইমরানের বিবৃতির জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ফের পাকিস্তান ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছেন। পাশাপাশি পাক নেতার মিথ্যাচারিতার অভিযোগও এনেছে। সেই বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৭২ বছর ধরে পাকিস্তান কেমন করে সংখ্যালঘুদের তাড়িয়েছে আর তাদের একটা বড় অংশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষত ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে (অধুনা বাংলাদেশে) পাক সেনার অত্যাচারের কথা তুলে আনা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

প্রসঙ্গত , কিছুদিন আগে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে বলে ইমরান সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল রাষ্ট্রপুঞ্জও। রাষ্ট্রপুঞ্জের এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব সঙ্কটের জন্য দায়ী শাসকদল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের কার্যকলাপ। সেখানে হিন্দু ও খ্রিস্টানদের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বিশেষ মহিলাদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ বলে উল্লেখ করা ছিল৷