কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ৪ রাজ্যে এখনই বিধানসভা উপ-নির্বাচন হচ্ছে না। উপ-নির্বাচন স্থগিত রাখতে রাজ্যগুলির তরফেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে আবেদন জানানো হয়েছিল। এই ৪ রাজ্যের মুখ্যসচিব ও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরা কমিশনে উপ-নির্বাচন বন্ধ রাখার ব্যাপারে আবেদন জানিয়েছিলেন। রাজ্যগুলির আবেদনে মান্যতা দিয়ে আপাতত বাংলা-সহ ৪ রাজ্যে উপ-নির্বাচন স্থগিত রাখার কথা বিবৃতি দিয়ে জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

করোনা পরিস্থিতিতে বছর শেষেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। সংক্রমণের আবহে কোভিড প্রোটোকল মেনেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই করোনা আবহে ভোটগ্রহণ পর্ব চালাতে একগুচ্ছ বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৪টি রাজ্যের বেশ কিছু আসন বিধায়ক-শূন্য রয়েছে। সেই আসনগুলিতে উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা।

তবে করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের কথা মাথায় রেখে এখনই উপ-নির্বাচন করার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে রাজ্যগুলির। উপ-নির্বাচন আপাতত স্থগিত রাখতে রাজ্যগুলির তরফে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল।

সেই মতো পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন কমিশনের কর্তারাও। শেষমেশ ৪ রাজ্যের আবেদনের ভিত্তিতেই আপাতত বিধানসভা উপ-নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার, ছত্তিশগড়, গুজরাত, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, ওড়িশা, তেলেঙ্গনা, উত্তরপ্রদেশ এই ১১ রাজ্যের ৫৬টি বিধানসভা কেন্দ্র ও বিহারের একটি কেন্দ্রের লোকসভা উপ-নির্বাচনের দিন ঘোষণা করলেও বাংলা-সহ ৪ রাজ্যের উপ-নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেনি কমিশন। ৪ রাজ্যেই আপাতত উপ-নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।