নয়াদিল্লি: গোটা দেশের নজর বিহার ভোটের ফলাফলের দিকে। কার্যত যে ট্রেন্ড সামনে আসছে তাতে বিহারে প্রবল চাপের মুখে বিজেপি। কার্যত মুখ থুবড়ে পড়তে পারো এনডিএ জোট। গণনা শুরুর একঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিক ফিগার পার করেছে তেজস্বীর নেতৃত্বে মহাজোট।

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১২২। সেখানে ১২৪টি আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাজোট। অনেকটাই পিছনে নীতিশের জেডিএউ এবং বিজেপি। যদিও মধ্যপ্রদেশে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে সক্ষম শিবরাজ শিং চৌহন।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গেই ১১ টি রাজ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১১ রাজ্যের মোট ৫৬টি আসনের মধ্যে মধ্যপ্রদেশের ২৮টি বিধানসভা আসনেও এবার উপনির্বাচন হয়েছে। এই আসনগুলি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ আসনই কংগ্রেসের দখলে ছিল। কিন্তু চৌহনের কূটনীতিতে খেলা ঘুরতে চলেছে বলে খবর।

এখনও পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশে যা ট্রেন্ড তাতে মধ্যপ্রদেশ- ১৭ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ৯ টি আসনে কংগ্রেস এগিয়ে।

এক নজরে বাকি রাজ্যে উপনির্বাচনের ট্রেন্ড কি বলছে? 

ঝাড়খণ্ডের দুমকা ও বেরমো বিধানসভা এবং তেলেঙ্গানার দুবাক বিধানসভায় এগিয়ে বিজেপি। মণিপুর- ১টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশে একটি বিধানসভা আসনে এগিয়ে সমাজবাদী পার্টি। বিজেপি এগিয়ে রয়েছে চারটি আসনে। কর্ণাটকের আরআর নগর বিধানসভায় এগিয়ে বিজেপি।

গুজরাতের ৮ আসনের মধ্যে ২টিতে এগিয়ে বিজেপি

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।