নয়াদিল্লি : ধনতেরাস উৎসব, মানেই সোনার দোকানে ভিড়। মূলত অবাঙালিদের উৎসব হলেও, বাঙালিরাও এখন কিছু কম যান না এই উৎসবে অংশ নিতে। বেশ কয়েক বছর ধরেই ধনতেরাসে সোনা কেনা একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোনা কেনা ও উপহার দেওয়ার চল শুরু হয়েছে।

সোনাপ্রেমীরা ধনতেরাসের জন্য সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন। সোনা কেনার সুবর্ণ সময় এটাই। পকেটের দিক ভেবে, আবার সংস্কারের দিক থেকেও এই সময় সোনা কিনতে চান প্রায় সবাই। উৎসবের এই মরশুমে সোনার দাম প্রায় ৫০ হাজার ছুঁইছুঁই। তবু সোনা কেনা থেকে পিছপা হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

রেকর্ড বলছে সারা বছরে যা সোনা বিক্রি হয়, তার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বিক্রি হয় অক্টোবর ও নভেম্বরে। সোনার চাহিদা এই দুই মাসে বেশ বেড়ে যায়। তাই ধনতেরাসে সোনা কেনার আগে কিছু কথা মাথায় রাখা প্রয়োজন।

বিশ্ব জুড়ে বিনিয়োগের অন্যতম নিরাপদ জায়গা সোনা। অর্থনীতির ধীর গতি, শেয়ার বাজারের ওঠা পড়া ছাড়িয়ে সোনা তাই নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। বিশেষত ভারতে এই ট্রেন্ডটা বেশ লক্ষ্যণীয়। ফলে সোনায় বিনিয়োগ মানেই লাভ। তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন শিশুদের জন্য সোনা কিনে বিনিয়োগ করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তার জন্য অন্য ক্ষেত্র রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভবিষত্যে কোনওরকম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ার আগে সোনা কিনে নেওয়া লাভজনক প্রমাণিত হতে পারে। তাই মোট সম্পত্তির নূন্যতম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বা তার বেশি পরিমাণে সোনা থাকাটা, বিনিয়োগের পক্ষে বাঞ্ছনীয়।

যদি সোনা কিনে বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে সভরেন গোল্ড বন্ড বা এসজিবির ওপর ভরসা করা যেতে পারে। এছাড়াও রয়েছে গোল্ড এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড। প্রতি বছর এগুলি অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ সুদ দেবে। তারই সঙ্গে এগুলি নিরাপদ ও ভালো রিটার্নের সুবিধা দেয়। সোনায় বিনিয়োগের এই ক্ষেত্রগুলি আংশিকভাবে বা সম্পূর্ণ লিকুইডেটেড করা যায় সহজেই। তাই বেশি করে সোনা কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I