নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতিতে চাকুরির মন্দা বাজার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও যে একেবারে চাকরির দরজা খুলে যাবে এ আশা করা বৃথা। কেন্দ্রীয় সরকার সাধারণ মানুষকে নিজস্ব ব্যবসা শুরু করতে উৎসাহিত করছে। সরকারের মনোযোগ রয়েছে কৃষিক্ষেত্রে। তাই উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন কিছু করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

আজ এমন ব্যবসার কথা আলোচনা করা হচ্ছে, যেখান থেকে আপনি মোটা টাকা আয় করতে পারবেন। কথা বলা হচ্ছে পোল্ট্রি ফার্ম সম্পর্কিত ডিমের ব্যবসা নিয়ে। এখানে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

ডাঃ এমএইচ জিলানী ব্যাখ্যা করেছেন, যে ডিম পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং সারা ভারতে সারা বছর ধরে ডিম খাওয়া হয়। ঠিক এই কারণে সারা বছর ডিমের চাহিদা বাজারে বজায় থাকে। তাই এই ব্যবসায় কখনও লস হয় না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুরগী ​​থেকে ডিম প্রস্তুতের পুরো প্রক্রিয়াটি ১৬ সপ্তাহ সময় নেয়। একটি ডিম প্রস্তুত করতে খরচ হয় প্রায় ৩ টাকা ৩০ পয়সা। এটি বাজারে সাড়ে চার টাকা থেকে ৫ টাকা করে বিক্রি হয়। অর্থাৎ প্রতি ডিমে লাভ থাকে ১ টাকা ৫০ পয়সা। আপনি যদি ১০,০০০ মুরগীর খামার শুরু করেন, তবে খামার শুরু হওয়ার ৪ মাস পর থেকে প্রতিদিন ১৫ হাজার টাকা করে আয় হবে।

একটি মুরগি বড় করতে ০.৮ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন। এক একর জমিতে ফার্মিং-এর জন্য প্রতিবর্গফুটে ব্যয় হয় ৩৫০ টাকা। মুরগীর ছানা দিয়ে মুরগীর ব্যবসা করা হয়। কটি ভাল জাতের ছানা মোটামুটি ৪২ টাকায় পাওয়া যায়। এই অল্প বয়স্ক মুরগি চার মাসে মোট ২.৫ কেজি দানা শস্য খায়। ঠিক ৪ মাস পর থেকে এটি ডিম দেওয়া শুরু করে।

এক একটি মুরগী বছরে ২৯০ টি থেকে ৩৩০ টি ডিম দেয়। ডিম দেওয়ার সময় এটি গড়ে ১১০ গ্রাম দানা খায়। মুরগীর দানা বাজারে ২২ টাকা কেজি দরে পাওয়া যায়।

একটি ছানা থেকে মুরগি বানাতে খরচ হয় মোটামুটি ১৩০ টাকা। এর মধ্যে সব খরচ ধরা থাকে। একটি মুরগী তাঁর জীবদ্দশায় ২৯০ থেকে ৩৩০ টি ডিম দেয়। অর্থাৎ দেখাই যাচ্ছে যদি গড়ে ৩০০ টি ডিমও ধরা হয়, সেক্ষেত্রে ৫ টাকা করে দাম ধরলে খরচ হয় ১৫০০ টাকা। অথচ মুরগীর খরচ মাত্র ১৩০ টাকা। এরপর যদি ডেলিভার ও অন্যান্য খরচও ধরা হয়, সেক্ষেত্রেও প্রতি মুরগি থেকে ৭২ সপ্তাহে লাভ হয় প্রায় ১০০০ টাকা, মাত্র একটি মুরগীতেই।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I