file image

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সোমবার থেকে চালু হচ্ছে না বেসরকারি বাস, মিনিবাস। রবিবার বাস মালিকদের দুটি সংগঠন বৈঠকের পর নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন। বাস ভাড়ার বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর উপরই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁরা। করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের তরফে প্রথমে বলা হয়েছিল বাসে কুড়িজনের বেশি যাত্রী একসঙ্গে তোলা যাবে না।

শুক্রবার নবান্ন জানায়, অন্যান্য বিধিনিষেধ বহাল থাকলেও বাসের আসন সংখ্যা যতজন, ততজন যাত্রীকেই তোলা যাবে। দাঁড়িয়ে কোনও যাত্রী যেতে পারবেন না। সেই ঘোষণার পর এদিন বৈঠকে বসে একাধিক বেসরকারি বাস সংগঠনের মালিকরা। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় আপাতত বাস চালানো সম্ভব হয়। মালিকরা জানান, বাসের ন্যূনতম ভাড়া সাত কিংবা আট টাকা। লকডাউনের আবহে ভাড়া বৃদ্ধি করা হচ্ছে না। অথচ বলে দেওয়া হয়েছে, দাঁড়িয়ে কোনও যাত্রী নিয়ে যাওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে বাস চালিয়ে কোনওভাবেই লাভ হবে না মালিকদের।

মিনিবাস ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক প্রদীপ নারায়ণ বসু বলেন, ” ‘ফুল সিটিং’এ গাড়ি চালিয়েও সাত টাকা, আট টাকা ভাড়ায় গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে যায়। আর এই ভাড়ায় ওত কম যাত্রী নিয়ে তো গাড়ি চালানো অসম্ভব।আমরা অনুরোধ জানাই মুখ্যমন্ত্রী কাছে, তিনিই যেন বাসভাড়া ঠিক করে দেন।”

তিনি আরও বলেন, “১০ লক্ষ টাকার বিমা রয়েছে। তারওপর ট্যাক্স মুকুবের নোটিফিকেশনও হইনি এখনও। আমরাও অসহায়। কেন্দ্রীয় সরকার কেন পরিবহণের জন্য প্যাকেজ ঘোষণা করছে না?” এব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আগামী ২ জুন ডেপুটেশন জমা দেবে বাস সংগঠনগুলির। সরকারের তরফে সাড়া মিললে তবেই রাস্তায় বাস নামানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, ১ জুন থেকে রাজ্যে অনেকটাই শিথিল হচ্ছে লকডাউন। খুলছে ধর্মীয় স্থান থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস। মেট্রো বন্ধ থাকায় বাসের উপরই বেশি নির্ভর করবেন নিত্যযাত্রীরা। কিন্তু এই সময় পর্যাপ্ত বেসরকারি বাস পরিষেবা না পাওয়া গেলে ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ যাত্রীদের।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প