হাওড়া: এক বাস চালককে পুলিশি নিগ্রহের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল হাওড়া ময়দান এলাকায়৷ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কর্মচারীরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়৷ এর জেরে হাওড়া ময়দানের বেশ কয়েকটি রুটের প্রায় শতাধিক বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়৷ চরম সমস্যার মধ্যে পড়ে নিত্যযাত্রী থেকে শুরু করে পড়ুয়ারা৷

জানা গিয়েছে, কলকাতার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় চালক ২ মিনিটর জন্য রাস্তার পাশে বাসটি দাঁড় করায়৷ তখনই পুলিশ এসে চালককে জিজ্ঞাসা করে বাস দাঁড় করানোর কারণ৷ চালক উত্তর দেয় সে জল পান করার জন্য বাসটি দাঁড় করিয়েছে৷ অভিযোগ সেই সময় সিভিক ও ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা তাঁর সঙ্গে ঝামেলা শুরু করে৷ এমনকি তাঁকে শারীরিক নিগ্রহও করে৷ ঘটনার বেগতিক দেখে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে চলে যায়৷ কন্ডাক্টর চালককে উদ্ধার করে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন৷

ওই বাসের কন্ডাক্টর জানায় চালকের নাম সাগর রাজবংশী৷ তাঁকে ঘটনার সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনিও বলেন, ‘আমরা জল পান করার জন্য রাস্তার পাশে বাস দাঁড় করাই৷ তখনই পুলিশ কর্মীরা এসে আমাদের চলে যেতে বলে৷ আমরা তাদের বলি জল পান করে চলে যাব৷ তখনই পুলিশ কর্মীরা আমাদের সঙ্গে ঝামেলা শুরু করে৷ এমনকি বাস থেকে নামিয়ে মারধরও করে৷ স্থানীয়রা ঘটনা দেখে আসতেই তারা চলে যায়৷’

এই ঘটনার প্রতিবাদে হাওড়া ময়দান থেকে ছেড়ে যাওয়া কলকাতার বিভিন্ন রুটের বাসের কর্মীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে৷ তাঁদের দাবি যতক্ষণ পর্যন্ত না এই পুলিশি জুলুম বন্ধ হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে হুমকি দিয়েছেন তাঁরা৷ কিন্তু বাস মালিকদের সংগঠন-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে বাস কর্মচারীরাই নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন। এটা মালিক পক্ষের কোনও সিদ্ধান্ত নয়। এদিকে বাস বন্ধের জেরে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।