পূজা মন্ডল: বর্তমান পূর্ব বর্ধমানে রয়েছে রাজৌতিহ্যমন্ডিত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। মূলত তিনটি ক্যাম্পাস জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন প্রক্রিয়া চলে। একটি রাজবাড়ি ক্যাম্পাস, অপরটি গোলাপবাগ ক্যাম্পাস এবং আরও একটি হল তারাবাগ ক্যাম্পাস। এই তারাবাগ ক্যাম্পাসেই রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম হাউস। যার পোশাকি নাম শস্য গবেষণা ও বীজ সম্প্রসারণ কেন্দ্র।

দুর-দুরান্ত থেকে বহু কৃষক আসেন এখানে কৃষি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ নিতে। এবার তাদের জন্যই ফার্ম হাউস সংলগ্ন জায়গায় প্রশিক্ষণ নিতে আসা কৃষকদের জন্য হস্টেল বানাবার পরিকল্পনা নিল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। kolkata24x7.com কে এমনটাই জানালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা।

1965 সালে এই ফার্ম হাউসটি নির্মিত হয়। 10.5 হেক্টর জমি রয়েছে ফার্ম হাউসের অধীনে। 2002 সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয় এই উদ্যান। তখন থেকেই এখানে বিভিন্ন ধরনের ধান, আলু, সরিষা, ফল, ফুলের গবেষণামূলক চাষ শুরু হয়। দুর-দুরান্ত থেকে বহু কৃষক আসেন এখানে প্রশিক্ষণ নিতে। দায়িত্বে থাকা আধিকারিক থেকে নিচু স্তরের কর্মী সকলেই দেখভাল করেন ফার্ম হাউসের।

বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত নতুন ধান সংগ্রহ করে আনেন তাঁরা। তারপর সেগুলো থেকে তাঁরাও ওই ধানের বীজ বপন করেন। প্রশিক্ষণ নিতে আসা কৃষকরা এই বীজ কিনেও নিয়ে যান। এই ফার্মেও নতুন ধানের উদ্ভাবন হয়। কৃষকরা ছাড়া উৎপাদিত পন্য খোলা বাজারে বিক্রি করা হয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাই এগুলি কিনে নিয়ে যান।

ফার্মের সহকারী আধিকারিক আনিসুল আম্বিয়ার কথায়, আমরা প্রায় 100 রকম ধানের জাম প্লাজম এখানে রাখার চেষ্টা করছি। আমের ক্ষেত্রেও তাই। ফুলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরণের গোলাপ, জবা রাখা হয়। এছাড়া রয়েছে কিছু অন্য রকমের গাছ, যা সচরাচর এই মাটিতে দেখা যায় না। এগুলো মধ্যে রয়েছে, আপেল, চেরি, রুদ্রাক্ষ, হংসলতিকা, ভিক্টোরিয়া ক্রুজিয়ানা প্রভৃতি।

উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা জানিয়েছেন, আমরা এখানে প্রশিক্ষণ শিবির করে থাকি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষকরা এসে উপকৃত হন। তাই আমরা এখানে তাঁদের জন্য হস্টেল তৈরি করছি। সেখানে তারা থাকতে পারবেন। খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্তও থাকবে। এই কারণে আমরা রাজ্যের কৃষি দফতরের সঙ্গে কথা বলেছি। খরচ পড়ছে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা। কিছুদিনের মধ্যেই কাজ শুরু হয়ে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.