মিউনিখ: সরকারের সবুজ সংকেত পেলে বুন্দেসলিগার আসন্ন মরশুম শুরু হতে পারে দর্শক সমাগমেই। মঙ্গলবার এমনই সম্ভাবনার কথা জানাল বুন্দেসলিগা কর্তৃপক্ষ। তবে সম্পূর্ণ গ্যালারি নয়, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে গ্যালারিতে বেঁধে দেওয়া হবে দর্শকসংখ্যা। গোটা বিষয়টিই রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীদের হ্যাঁ বা না-এর উপরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন জার্মান ফুটবল লিগের সিইও ক্রিশ্চিয়ান সেইফার্ট।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সেইফার্ট জানিয়েছেন, ‘গ্যালারিতে দর্শক ফিরবে কীনা, ফিরলেও কবে ফিরবে ইত্যাদি বিষয়গুলো ডিএফএল’র (জার্মান ফুটবল লিগ) হাতে নেই। পুরোটাই নির্ভর করছে রাজনৈতিক নেতাদের সিদ্ধান্তের উপর। জার্মান ফুটবল লিগ তাঁদের কাছে কোনও দাবি বা চাহিদা রাখছে না তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশাধিকারের জন্য ধীরে-ধীরে প্রস্তুত হচ্ছে।’ এখানেই শেষ নয়। সেইফার্ট আরও বলেন, ‘মানুষের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নিরাপত্তাই আমাদের প্রাধান্য, ফুল গ্যালারি নয়।

আমরা অযথা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। তবে এমন ভাবনা-চিন্তা মাথা থেকে পুরোপুরি ঝেড়ে ফেলারও পক্ষপাতী নই আমরা।’ আগামী সপ্তাহে জার্মানির বিভিন্ন প্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা আসন্ন মরশুমে বুন্দেসলিগার রূপরেখা তৈরি করতে একটি বৈঠকে বসবেন। উল্লেখ্য, আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ২০২০-২১ বুন্দেসলিগা মরশুম। এপ্রসঙ্গে জার্মান ফুটবল লিগের সিইও বলেন, ‘পেশাদার ফুটবল ধাপে ধাপেই কামব্যাক করবে। কোনও ম্যাজিক করে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা স্টেডিয়ামে অনুরাগী প্রবেশের সবুজ সংকেত দিতে পারেন না। ধীরে-ধীরে আমাদের আগের অবস্থানে ফিরতে হবে।’

স্টেডিয়ামে কোনওভাবে দর্শক প্রবেশের অনুমতি মিললেও অন্তত চলতি বছর কোনও স্টেডিয়ামে অ্যাওয়ে দলের সমর্থকদের প্রবেশে সম্মতি দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন সেইফার্ট। এমনকি স্টেডিয়ামে অ্যালকোহল বিক্রিও নিষিদ্ধ রাখা হবে। সিইও’র কথায়, ‘এই মুহূর্তে আমরা কেউই কোনও নির্দিষ্ট সংখ্যক দর্শক প্রবেশের দাবি জানাচ্ছি না। কারণ সেটা বোকামি হবে।’ প্রসঙ্গত করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমায় লকডাউন পরবর্তী সময় গত মে মাসে ইউরোপের প্রথম মেজর লিগ হিসেবে শুরু হয়েছিল বুন্দেসলিগা। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে জুনে নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয়েছিল লিগ।

বুন্দেসলগার দেখাদেখি এরপর স্পেন, ইংল্যান্ড, ইতালিতেও শুরু হয় স্থগিত হওয়া বিভিন্ন লিগ। কিন্তু জার্মানিতে শুরু হয়েছে মারণ ভাইরাসের দ্বিতীয় ওয়েভ। ফের উল্লেখযোগ্য হারে প্রতিদিন মানুষ করোনায় আক্রান্ত সেদেশে। মঙ্গলবারের রিপোর্ট অনুযায়ী জার্মানিতে বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা