নয়াদিল্লি : এখনও শিলান্যাস হয়নি ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের৷ তবে তার আগেই রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বললেন, মুম্বই-আমেদাবাদ বুলেট ট্রেন চালু হলে হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে৷ সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “এই প্রজেক্টের জন্য খুব কম বাজেট ধার্য হয়েছে৷ বুলেট ট্রেন শুরু হলে দেশের রেল নেটওয়ার্কে অনেক বদল আসার সম্ভাবনা আছে৷”

আরও পড়ুন: জাপানের প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই গুজরাতে ছুটবে ১.১ কোটির বুলেট ট্রেন

তিনি আরও বলেছেন, “উচ্চ গতি সম্পন্ন এই ট্রেনের করিডোর নির্মাণ করার সময় অনেকের কর্মসংস্থান হবে৷ এর ফলে ৪ হাজার সরাসরি চাকরি ও কমপক্ষে ২০ হাজার পরোক্ষ চাকরির সম্ভাবনা আছে৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর জাপানি সহকর্মীরা বুলেট ট্রেনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে ১৪ সেপ্টেম্বর৷ জাপানি সহকর্মীদের তরফ থেকে এই প্রজেক্ট সম্পূর্ণ করার জন্য ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময় লাগব৷ তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্ধারিত সময়সীমার আগে তিনি প্রজেক্টটি শেষ করার চেষ্টা করবেন৷ উচ্চ গতি সম্পন্ন এই ট্রেনের প্রজেক্ট ২০২২ সালের মধ্যে শেষ করার ভাবনা আছে প্রধানমন্ত্রীর৷ আজকাল বিমানভাড়া যথেষ্ট কম৷ আমাদের সেকথা মাথায় রাখতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ এই ট্রেনে সফর করতে পারে৷”

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’ বুলেট ট্রেনের শিলান্যাস আগামী মাসেই

দুই শহরের মধ্যে স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্ক তৈরি করতে ১.৮ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে৷ ভারত ও জাপানের মধ্যে সহযোগিতার সমঝোতা অনুসারে জাপান সরকার এর জন্য ভারতকে সফ্ট লোন দেবে৷ ৫০ বছরের মধ্যে এই লোন শোধ করতে হবে৷ প্রজেক্টের ৮০ শতাংশ ফান্ডিং করবে জাপান৷ প্রজেক্টে মেক ইন ইন্ডিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে৷ এর কারণে ইউনিটের রোলিং স্টাফ ও উপাদানের উৎপাদন ইউনিট জাপানের সহযোগিতায় ভারতে স্থাপন করা হবে৷

আরও পড়ুন: ৩৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা! বিশ্বের দ্রুততম বুলেট ট্রেন ছোটাবে এই দেশ

মুম্বই-আমেদাবাদ উচ্চ গতি সম্পন্ন নেটওয়ার্কে ১২টি স্টেশন থাকবে৷ ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি থাকবে ৩২০ কিলোমিটার৷ রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন চাহিদা বাড়ার কথা মাথায় রেখে সরকার দিল্লি-নাগপুর,নাগপুর-মুম্বই, দিল্লি-চণ্ডীগড় রুটেও এই ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করছে৷ এর জন্য বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও