নয়াদিল্লি: করোনা অনেক কিছুই উল্টে পাল্টে দিয়েছে। এই মারণ রোগ মহামারি আকার ধারণ করেছে। তার প্রভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। ফলে পূর্ব ঘোষণা মতো ২০২৩ সালে এদেশে বুলেট ট্রেন নাও চলতে পারে।

কথা ছিল ২০২৩ সালে মুম্বই আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে জমি অধিগ্রহণ ও অন্যান্য কাজ শেষ করা যায়নি, একই অবস্থা দরপত্র খোলার ক্ষেত্রে। ফলে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে দেরি হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন এখনো পর্যন্ত এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমির ৬৩ শতাংশ অধিগ্রহণ করতে পেরেছে।

প্রকল্পের আধিকারিকদের বক্তব্য, মহারাষ্ট্রের পালঘর এবং গুজরাটের নবসারির জমি এখনও অধিগ্রহণ করা হয়নি। তাছাড়া এই ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন গত বছর ৯টি সিভিল ওয়ার্কের দরপত্র নিয়েছিল। কিন্তু করোনা যেভাবে মহামারীর আকার ধারণ করেছে তার ফলে ওই দরপত্র খোলা সম্ভব হয়নি।

এই সংস্থার কর্তার মতে, প্রকল্পের উপর করোনার প্রভাব পড়ছে ফলে এর কাজ কতদিনে শেষ হবে তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। যদিও পাশাপাশি তার বক্তব্য, ২০২৩ সালকে মাথায় রেখেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। প্রসঙ্গত মুম্বই আহমেদাবাদ এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটির দৈর্ঘ্য ৫০৮.১৭ কিলোমিটার।

এই রেলপথটি গিয়েছে মহারাষ্ট্রের তিনটি জেলা এবং গুজরাটের আটটি জেলার উপর দিয়ে। জমি অধিগ্রহণের পাশাপাশি এই প্রকল্পের কাজে দেরি হওয়ার কারণ জাপানি ইয়েনের সাপেক্ষে ভারতীয় টাকার দাম কমে যাওয়া। এই প্রকল্পটির মোট খরচ ছিল ১.০৮ লক্ষ কোটি টাকা।

এর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দেবে দশ হাজার কোটি টাকা। আর গুজরাট ও মহারাষ্ট্রকে দিতে হবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা করে। বাকি অর্থ ঋণ হিসেবে যোগাবে জাপান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।