কলকাতা:  কলকাতাবাসীদের জন্য সুখবর! এবার কলকাতা ও দিল্লির মধ্যেও বুলেট ট্রেন চলতে পারে। ইতিমধ্যে তাঁর প্রাথমিক প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে রেল মন্ত্রক৷ কলকাতা -দিল্লির মধ্যে বুলেট ট্রেন চালানো নিয়ে সমীক্ষা করার জন্য স্পেনের ইনেকো , টিপসা এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল কনসালটেন্টস অ্যান্ড টেকনোক্র্যাট প্রাইভেট লিমিটেডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ আগামী মাস থেকে পুরোপুরিভাবে সমীক্ষার কাজ শুরু করবে এই সংস্থা। দিল্লি -কলকাতা বুলেট ট্রেন চালানো যাবে কি না, কত খরচ পড়বে, ট্রেন চললে কত লাভ হবে -সহ যাবতীয় তথ্য সমীক্ষা করে আগামী এক বছরের মধ্যে এই জানাবে এই সংস্থা। এই সমীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই কলকাতা-দিল্লি বুলেট ট্রেন চালানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে জানা গিয়েছে মন্ত্রক সূত্রে৷বুলেট ট্রেন চালু হলে দিল্লি থেকে কলকাতায় যাতায়াতের সময় লাগবে মাত্র ৫ ঘণ্টা।

খবরটি হিন্দিতে পড়তে- 

देश के चार मार्गो पर दौड़ेगी बुलेट ट्रेन

শুধু কলকাতা -দিল্লি নয়, আরও দু’টি রুটে বুলেট ট্রেন চালানোর সমীক্ষা করা হবে৷ সেই রুট দু’টি হল , দিল্লি -মুম্বই এবং মুম্বই -চেন্নাই৷ দিল্লি -মুম্বই রুটের জন্য চিনা সংস্থাকে সমীক্ষার কাজ দেওয়া হয়েছে৷ আর মুম্বই -চেন্নাই রুটের সমীক্ষা করবে ফরাসি সংস্থা৷ এই তিন সমীক্ষার জন্য মোট ৩০ কোটি টাকা খরচ করা হবে৷ দিল্লি -চণ্ডীগড় -অমৃতসর এবং দিল্লি -চেন্নাই রুটের সমীক্ষার কাজ চলছে৷ এই দুই সমীক্ষার কাজও মাস তিনেকের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা৷ তবে এর আগে মুম্বই ও আমেদাবাদের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালানোর সমীক্ষা হয়ে গিয়েছে৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে , মুম্বই -আমেদাবাদ বুলেট চালাতে এক লক্ষ কোটি টাকা খরচ হবে৷ ট্রেনের টিকিটের দাম হবে বিমানের টিকিটের কাছাকাছি৷ কলকাতা -দিল্লি -সহ বাকি শহরগুলিতে যে বিষয়ে সমীক্ষা চালাতে বলা হয়েছে , তার মধ্যে রয়েছে , এই রুটে বুলেট ট্রেন চালানো প্রযুক্তির দিক থেকে সম্ভব কি না , কোন লাইন ধরে এই ট্রেন যাবে , কোন ধরনের সিগন্যাল ব্যবস্থা করতে হবে , কতটা জমি লাগবে , কত খরচ হবে , এই ট্রেন চালালে কত টাকা আসবে এবং পরিবেশগত কী প্রভাব পড়বে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।