নয়াদিল্লি:  বুলেট ট্রেনের স্বপ্ন ছাড়তে নারাজ মোদী। ইতিমধ্যে দেশে সেমি-বুলেট ট্রেন চালু হয়েছে। কার্যত চোখের নিমিষে পৌঁছে যাওয়া যাচ্ছে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায়। কিন্তু মানুষের হাতে  সময় কম। আরও দ্রুত কীভাবে মানুষকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। আর সেই লক্ষ্যেই ফের বুলেট ট্রেন নিয়ে আলোচনা করতে জাপান সফরে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানগারিয়া ও রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে মিত্তল। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন অর্থ মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক ও শিল্পনীতি সংক্রান্ত মন্ত্রকের শীর্ষস্তরের কৃটনীতিকরা। মেক ইন ইন্ডিয়া-র ছাতার তলায় জাপানি সংস্থাগুলির সহায়তায় বুলেট ট্রেন এ দেশে আনা যায় কিনা তা এই উচ্চপর্যায়ের দল খতিয়ে দেখছে। এ ব্যাপারে বেশ কয়েকজন জাপানি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি কথা হবে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা হিরোতো ইজুমির সঙ্গেও।
জানা গিয়েছে, ভারতে বুলেট ট্রেন প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে ২০০ কোটি টাকা মূলধনে ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন তৈরি করেছে সরকার। তবে আসল খরচ ৯৮,০০০ কোটির কম নয়, যার ৮১ শতাংশই জাপান দিচ্ছে স্বল্প সুদে ঋণ হিসেবে। ৫০ বছরের হিসেবে মাত্র ০.১ শতাংশ সুদে এই ঋণ দিচ্ছে তারা। প্রথম বুলেট ট্রেনটি ছোটার কথা মুম্বই থেকে আমদাবাদের মধ্যে। ৫০৮ কিলোমিটার দূরত্ব মাত্র ২.০৭ ঘণ্টায় পেরিয়ে যাবে এই ট্রেন। গতি প্রতি ঘণ্টায় দাঁড়াবে ৩০০ কিলোমিটার।