ক্যালিফোর্নিয়া: প্রখ্যাত বাংলা কণ্ঠশিল্পির কথায়, ‘চমকে দিয়ে চুমু’৷ ক্ষেত্রবিশেষে বিষয়টিতে আপত্তির কিছু না থাকলেও তা বিকর্তিক দাঁড়াতে বাধ্য লাইভ ইন্টারভিউয়ের সময় মহিলা সাংবাদিককে আচমকাই কোনও ক্রীড়াবিদ চমকে দিয়ে চুমু দিলে৷ ঠিক এমন কাণ্ড ঘটালেন বুলগেরিয়ান হেভিওয়েট বক্সার কুবরাত পুলেভ৷

রোমানিয়ার বোগদান দিনুর বিরুদ্ধে বাউট জিতে উঠে ভেগাস স্পোর্টস ডেলি’র মহিলা সাংবাদিক জেনিফার রাভালো, যিনি সাংবাদিক মহলে জেনি সুশি নামে পরিচিত, তাঁকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন পুলেভ৷ সাক্ষাৎকারের শেষে ক্যামেরার ফ্রেম থেকে বেরিয়া যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বুলগেরিয়ান বক্সার চকিতে চুমু দিয়ে বসেন রাভালোর ঠোঁটে৷

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে মহিলা সাংবাদিককে প্রকাশ্যে চুমু!

বিষয়টি জেনিফার হাসি মুখে মানিয়ে নিলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি ভাইরাল হতে বিশেষ সময় নেয়নি৷ জোর করে চুমু দেওয়ার জন্য তারকা বক্সারের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলছেন অনেকেই৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে ভিডিওটি৷

তীব্র বিতর্কের মুখে পুলেভ নিজের কৃতকর্মের একটা সাফাই দেন সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ সরাসরি ক্ষমা না চাইলেও টুইটারে অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে ঘটনার পিছনে যে অন্য গল্প লুকিয়ে রয়েছে, তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করেন বুলগেরিয়ান বক্সার৷

আরও পড়ুন: চুমু খাচ্ছেন বিরাট? কিন্তু কাকে?

নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে পুলেভ লেখেন, ‘আপনারা হয়ত একটি ভিডিও ক্লিপে দেখেছেন যে শনিবার রাতে আমি বাউট জিতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর এক মহিলা সাংবাদিককে চুমু দিয়েছি৷ ওই রিপোর্টার জেনি আসলে আমার একজন বন্ধু৷ সাক্ষাৎকার দেওয়ার পর আমি এতটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম যে, ওকে চুমু দিয়ে বসি৷ সেই রাতেই আমার অন্যান্য বন্ধুদের সঙ্গে পোস্ট ম্যাচ সেলিব্রেশনেও হাজির ছিল জেনি৷ ভিডিওতে দেখেছেন নিশ্চই, চুমু দেওয়ার পরে আমাদের উভয়ের মুখেই হাসি ছিল এবং একে অপরকে ধন্যবাদও জানিয়েছি৷ এর বাইরে অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না৷’

খেলাধুলোর আঙিনায় এমন ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়৷ রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় পিটুসি দেওয়ার সময় এক দর্শক আচমকাই চুমু দিয়েছিলেন এক মহিলা সাংবাদিককে৷ বিগ ব্যাশ লিগে খেলার সময় তারকা ক্রিকেটার ক্রিস গেইল লাইভ ইন্টারভিউয়ের সময় মহিলা সাংবাদিককে আপত্তিকর কথাবার্তা বলেছিলেন৷