ঢাকা: রাত ১০ টা নাগাদ বুলবুল আছড়ে পড়ল বাংলাদেশের সুন্দরবনে।

বাংলাদেশের উপকূলবর্তী আট জেলা– সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালি, ভোলা এবং চাঁদপুরের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতরের বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ৫ থেকে ৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করতে এবং জনগণের সুরক্ষা দিতে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকার ঘূর্ণিঝড়ের পরপরই ত্রাণের প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় যোগাযোগের জন্য একটি অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম খুলেছে বাংলাদেশের নৌ পরিবহণ মন্ত্রক। সেখান থেকে ফোনে ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে চলছে তথ্য আদানপ্রদান।

শনিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে কক্সবাজার এলাকায়। বিকেল ৪ টে থেকে শুরু হয়েছে ভারী বর্ষণ। জোয়ারের জল স্বাভাবিকের চেয়ে চার-পাঁচ ফুট বেশি। উপকূলে আছড়ে পড়ছে সেই বিশাল ঢেউ। অন্তত ৫০০ বাড়ি জলবন্দি রয়েছে।

বুলবুলের প্রভাবে কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং, দক্ষিণ ধুরুং, আলী আকবর ডেইল, লেমশিখালী, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের অন্তত ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। জোয়ারে জলে ডুবে গিয়েছে ৩০০-র বেশি ঘরবাড়ি।

মহেশখালির ধলঘাটা ইউনিয়নের প্রায় এক কিলোমিটার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে সাইরার ডেইল, সুতরিয়াপাড়াসহ ছ’টি গ্রাম। লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে আনা হচ্ছে। উপজেলার মাতারবাড়ী, কুতুবজোম ইউনিয়নেও ৬ টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচার চালানো হচ্ছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় রাতে সৈকতে অবস্থান করা কারও জন্য নিরাপদ নয়। বাঁশি বাজিয়েও অনেক সময় পর্যটকদের থামানো যাচ্ছে না। তবে দুপুরের পর থেকে কাউকে সমুদ্রে নামতে দেয়নি পুলিশ। সৈকত কিছুটা ফাঁকা হয়ে পড়েছে। রাত আটটার পর কাউকে সৈকতে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ অমান্য করলে জোর করে সরিয়ে দেওয়া হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ