মুম্বই: করোনা পরিস্থিতির জেরে দেশের অর্থনৈতিক বেহাল দশা। এই অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে রিজার্ভ ব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় সরকার যে সব পদক্ষেপগুলি নিয়েছে সেগুলিকে মূলত দেশের সরবরাহ ব্যবস্থার দিকে নজর দিয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। এরফলে শেষমেশ তেমন ভাবে চাহিদা তৈরি করা যায়নি। ফলে আসন্ন বাজেটে বরং চাহিদার দিকে নজর ঘোরনোটা দরকার বলে মনে করেছেন কেউ কেউ । এবারের বাজেটে সেই চাহিদার দিকটাকেই নজর দেওয়ার কথা বলছে ইন্ডিয়া রেটিংস। এই মূল্যায়ন সংস্থাটির অভিমত , তেমন ভাবে না ভাবলে ফের তলিয়ে যেতে পারে অর্থনীতি।

লকডাউনের জেরে গত এপ্রিল থেকে জুন ওই ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির বদলে সংকোচন হয়েছিল ২৩.৯ শতাংশ। শুধু তাই নয় তার পরের তিনমাস অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর অবস্থা কিছুটা উন্নত হলেও সংকোচন ছিল ৭.৫ শতাংশ। এর পরের দুটি ত্রৈমাসিকে সংকোচন থেকে বৃদ্ধির দিকে যাবে বলে বিভিন্ন পূ্র্বাভাস থাকলেও সামগ্রিক ভাবে বৃদ্ধির অংকটা ঋনাত্মক থাকার কথাই ভাবা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়া রেটিংসের কর্তা সুনীলকুমার সিনহা জানিয়েছেন, এবার কেন্দ্রকে চাহিদা বাড়ানোর দিকে জোর দিতে হবে, শুধুমাত্র জোগানের ব্যবস্থা করে বৃদ্ধি করা যাবে না। কারণ হল যদি সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে ভেবে সংস্থাগুলি উৎপাদন বাড়ায় অথচ ক্রেতারা তখন তা কিনতে না এগিয়ে আসে তাহলে অচিরেই উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি উৎসাহ হারাবে। শেষমেশ অর্থনীতি ধাক্কা খাবে। আর তারইজন্য পরিকাঠামো ক্ষেত্রে খরচ করা দরকার এবং দরকার হবে রিয়েল এস্টেট ক্ষুদ্র ও ছোট মাঝারি শিল্পগুলিকে নানা রকম সহায়তা করার বলে মনে করছেন তিনি।

প্রসঙ্গত ২০০৮ সালে দুনিয়া জুড়ে আর্থিক সংকটের ফলে অর্থনীতিতে চাহিদাটা হারিয়ে গিয়েছিল প্রায় ২০১২ সাল পর্যন্ত। তখন কিছু স্টিমুলাজ প্যাকেজ এলেও সংস্থাগুলিকে উজ্জীবিত করা যাচ্ছিল না সম্প্রসারণ এবং লগ্নির ব্যাপারে। এরফলে তখন নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছিল না এবং রীতিমতো চাহিদা কমে গিয়েছিল।

সংস্থার এই কর্তাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন, কিছু ইঙ্গিত মিলছে অতি মহামারীর আগের অবস্থায় উৎপাদন নিয়ে যাওয়ার। বিশেষত উৎসবের সময় দুমাস চাহিদা রীতিমতো বেড়ে যাওয়ায়।কিন্তু ঠিক তার পরেই আবার নভেম্বরেই কারখানার উৎপাদন সংকুচিত হয়। এটা ইঙ্গিত করে ঘুরে দাঁড়ানোটাও বিষয়টাও ভঙ্গুর হয়ে উঠছে । অর্থাৎ সরবরাহজনিত ব্যবস্থা নিতে হলে তখন চাহিদাজনিত ব্যবস্থাও নিতে হবে বলে তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।