• বাজেট চলাকালীন সেনসেক্সে বড় পতন। বর্তমানে সেনসেক্স ৩৩৬ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ১০৭ পয়েন্ট নীচে।
  • যাদের বার্ষিক আয় ৫ লাখ পর্যন্ত তাঁদের কোনও কর দিতে হবে না।
  • যাদের বার্ষিক আয় ৫- ৭.৫ লাখ তাদের ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। ৭.৫- ১০ লাখ আয় হলে ১৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ১০-১২.৫ লাখ আয় হলে ২০ শতাংশ কর দিতে হবে। ১২.৫-১৫ লক্ষ আয় হলে ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে এবং ১৫ লক্ষের বেশী হলে ৩০ শতাংশ হবে আয়কর।
  • পেনশনের জন্য নতুন ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব।
  • সেনসেক্স ১৫৪ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ৫৪ পয়েন্ট নীচে।
  • জীবনবীমায় সরকারি মালিকানা বিক্রির প্রস্তাব।
  • ব্যাংকগুলিকে চাঙ্গা করতে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি।
  • সেনসেক্স ৭৮ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ৩০ পয়েন্ট নীচে।
  • শিল্প ও বাণিজ্যে ক্ষেত্রে ২৭ হাজার ৩০ কোটি বরাদ্দ।
  • ব্যাংকে জমা টাকার উপর বিমার সীমা এক লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ করা হল। ফলে ব্যাংক বন্ধ হলে ডিপোসিটের উপর গ্যারান্টি থাকছে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।
  • জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি। ৫৯৫৮ কোটি লাদাখের জন্য বরাদ্দ।
  • সেনসেক্স ৩৩ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ১৩ পয়েন্ট নীচে।
  • করদাতাদের কোনভাবেই নাজেহাল করা যাবে না।
  • আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে ২০ হাজার হাসপাতাল তৈরি হবে।
  • জাতীয় সুরক্ষা নিয়ে সরকার চিন্তিত। নাগরিকদের স্বাছন্দ্যের জীবন দেওয়া আমাদের লক্ষ্য।
  • বিশুদ্ধ বাতাস সরকারের ভাবনার বিষয়। পরিবেশ দূষণ এড়াতে ৪৪০০ কোটি।
  • পর্যটন উন্নয়নে ২৫০০ কোটি।
  • প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৯৫০০ কোটি।
  • রাঁচিতে ট্রাইবাল মিউজিয়াম তৈরি হবে।
  • ডেটা সেন্টার পার্ক গড়ার প্রস্তাব।
  • তফসিলিদের জন্য এবং তফসিলি উপজাতিদের উন্নয়নে ৮৫ হাজার কোটি।
  • ন্যাশনাল টেক্সটাইল মিশন চালুর প্রস্তাব।
  • ৬ লাখ অঙ্গনওয়াড়ী কর্মরতদের মোবাইল আছে যারা কাজের জন্য তা ব্যবহার করেন।
  • দেশে মেয়েদের স্কুলে ভর্তির হার ছেলেদের তুলনায় বেড়েছে।
  • সেনসেক্স ১১৭ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ৩৯ পয়েন্ট নীচে।
  • বাতিল করা হবে পুরনো মিটার।
  • প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুতের প্রিপেড মিটার বসানো হবে।
  • পর্যটকদের সুবিধার্থে তেজসের মত দ্রুতগামী আরও ট্রেন দেওয়া হবে।
  • রেলের খালি জমিতে তৈরি করা হবে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
  • সেনসেক্স ৭৩ পয়েন্ট নীচে এবং নিফটি ৩২ পয়েন্ট নীচে।
  • আরও ৩ হাজার কিমি রেলপথে বৈদ্যুতিককরণ।
  • পরিবহন পরিকাঠামোয় ১.৭ লাখ কোটি।
  • ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে ১০০ টি নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।
  • সেনসেক্স ৭ পয়েন্ট উপরে এবং নিফটি ২ পয়েন্ট উপরে।
  • ৬০০০ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক।
  • ন্যাশনাল পুলিশ ইউনিভার্সিটি এবং ন্যাশনাল ফরেনসিক ইউনিভার্সিটি গড়ার প্রস্তাব।
  • প্রতিটি জেলায় রফতানি হাব চালু হবে। রফতানির জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা হবে।
  • পরিকাঠামো উন্নতিতে ১০০ কোটি বরাদ্দ।
  • বৃত্তিমূলক শিক্ষায় জোর।
  • দেশীয় মোবাইল উৎপাদনে জোর। মোবাইল ইউনিটের জন্য বিশেষ প্রকল্প।
  • SBI-কে শিক্ষাঋণ বাড়ানোর প্রস্তাব।
  • নতুন পাঁচটি স্মার্ট সিটি আসতে চলেছে।
  • অনলাইনে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু হবে।
  • SAT-এ এশিয়া এবং আফ্রিকার অংশগ্রহণের সুযোগ।
  • শিক্ষাখাতে ৯৯ হাজার ৩০০ কোটি।
  • জেলা হাসপাতালগুলিকে মেডিক্যাল কলেজে উন্নিত করা হবে।
  • ১২টি রোগ নির্মূল করতে মিশন ইন্দ্রধনুষ।
  • স্বচ্ছ ভারতের যোজনায় ১২ হাজার ৩০০ কোটি।
  • প্রধানমন্ত্রী জল জীবন মিশনে ৩.৬ কোটি।
  • ৬৯ হাজার কোটি টাকার প্রধানমন্ত্রী জণ আরোগ্য যোজনা।
  • পিপিপি মডেলে আরও হাসপাতাল তৈরি হবে।
  • ২০২২ সালের মধ্যে মতস উৎপাদন ২০০ লক্ষ টন বৃদ্ধি হবে।
  • উত্তর-পূর্ব অংশে এবং কৃষিপন্য পরিবহনে পিপিপি মডেলে তৈরি হবে কিষান রেল।
  • কৃষকদের জন্য কিষান ক্রেডিট কার্ড স্কিম এবং কিষান রেল প্রকল্প।
  • নাবাদের রিফাইনান্স প্রকল্প।
  • সিভিল এভিয়েশন লঞ্চ করবে কৃষি উড়ান।
  • কৃষকদের জন্য ভিলেজ স্টোরেজ স্কিম।
  • সেনসেক্স ৩৫ পয়েন্ট উপরে এবং নিফটি ১১ পয়েন্ট উপরে।
  • ভারসাম্য রেখে সবরকম সারের ব্যবহার।
  • ২০ লক্ষ কৃষকদের জন্য সৌরশক্তি চালিত পাম্প।
  • কৃষিক্ষেত্রে ১৬ দফা কর্মসূচি।
  • কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার প্রতি দায়বদ্ধ সরকার।
  • ডিজিট্যাল অর্থনীতিতে জোর।
  • আমাদের সময় গড় বৃদ্ধির হার ৭.৭ শতাংশ।
  • জিএসটির ফলে মানুষকে সার্বিক কর কম দিতে হচ্ছে।
  • নাগরিকদের স্বাছন্দ্যের জীবন উপহার দিতে চাই।
  • সেনসেক্স ১৪০ পয়েন্ট উপরে এবং নিফটি ৪২ পয়েন্ট।
  • বর্তমানে ৪০ কোটি করদাতা আছে।
  • মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আগের থেকে বেড়েছে।
  • ১৬ লক্ষ নতুন আয়করদাতা যোগ হয়েছে।
  • কেন্দ্র-রাজ্য একসাথে কাজ করুক। যার জন্য কিছু সংস্কার প্রয়োজন।
  • প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে শ্রদ্ধা জানান সীতারমন।
  • মানুষের আস্থা রয়েছে আমাদের আর্থিক নীতির উপর।
  • প্রযুক্তিতে ভরপুর ভারতের অর্থনীতি।
  • কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
  • আর্থিক বৃদ্ধির উপর জনগনের আস্থা রয়েছে।
  • অর্থমন্ত্রীঃ দেশের অর্থনীতির উপর আস্থা আছে।
  • সংসদে বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

নয়াদিল্লি: শনিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বাজেট পেশ করবেন৷ ফলে শনিবার হলেও এদিন শেয়ার বাজার খোলা রাখা হচ্ছে ৷ এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন অরুণ জেটলি বাজেট পেশ করেছিলেন সেদিনটাও ছিল শনিবার আর ওইদিন বিএসই এনএসই খোলা রাখা হয়েছিল৷ তবে এবার অবশ্য বাজেটের দিন ব্যাংক ধর্মঘট চলছে কারণ গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ইউএফবিইউ-র ডাকা দুদিনের ব্যাংক ধর্মঘট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.