নয়াদিল্লি: যেসব কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এবং দফতর এখনও পর্যন্ত গত বাজেটে পাওয়া অর্থ ঠিক মতো খরচ করতে পারেনি সেগুলির জন্য অর্থ বরাদ্দ বা অনুদান কমতে পারে৷ অর্থমন্ত্রক সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে ৷

কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এবং দফতরগুলির অনুদানের দাবিগুলিকে বাজেটে ব্যয়ের জন্য সুপারিশ করা হয়৷ এর উপর খরচ হিসেব করে মোট তহবিলের কথা বাজেট বিবৃতিতে দেওয়া থাকে ৷ সাধারণত প্রত্যেক মন্ত্রক বা দফতরের অধীনে থাকা বিভাগের কথা আলাদা করে দেওয়া থাকে ৷ সাধারণত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের বিভিন্ন পরিষেবার সাপেক্ষে প্রতিটি দাবিতে থাকে কোন পরিষেবার জন্য মোট কতটা সংস্থান দরকার- কতটা সংস্থান করতে হবে মূলধনী ব্যয়ে আর কতটা রাজস্ব ব্যয়ের জন্য৷

প্রথাগত ভাবে একটি অনুদানের দাবি পেশ করা হয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক অথবা দফতর মারফত, যদিও একাধিক দাবিও পেশ করা হয় সেটা খরচের প্রকৃতি অনুসারে ৷ যেমন এখনও পর্যন্ত ১০০টি অনুদানের দাবি পেশ করা হয়েছে যা ৫৩টি কেন্দ্রীয় মন্ত্রক এবং দুটি দফতরের অধীনে রয়েছে ৷ বাজেট নথি অনুসারে চলতি অর্থবর্ষে মোট খরচ ধরা হয়েছিল ২৭.৮৬ লক্ষ কোটি টাকা যার মধ্যে ২৪.৭৭ লক্ষল কোটি টাকাই রাজস্ব ব্যয় এবং ৩.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা হল মূলধনী ব্যয়৷

সরকারি অফিসারদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, বহু মন্ত্রক এবং দফতর তাদের জন্য বরাদ্দ অর্থ পুরোপুরি খরচ করে উঠতে পারেনি৷ জানুয়ারি থেকে মার্চ শেষ তিনমাস বিশেষত শেষ মাস মার্চে ওই অর্থ খরচ করে নেওয়ার একটা প্রবণতা থাকে ৷ কিন্তু যা আর্থিক পরিস্থিতি তাতে মনে করা হচ্ছে খরচ করতে না পারার দরুন সেই সব ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ কমতে পারে ৷

এটা সংকটজনক অবস্থা যখন সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে যা ধরা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক কম আয় হয়েছে এবং যখন চাপ আসছে সরকারি ব্যয় বাডা়নোর৷ ইতিমধ্যেই সরকার গত বাজেটে ধরা ঘাটতির সীমারেখা পেরিয়ে গিয়েছে৷ এমনকি ধরা হচ্ছে এই ঘাটতি বাজেটের ৩.৫ শতাংশ বা ৩.৭ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে ৷

এটা আশা করা হচ্ছে পরের আর্থিক বছরে (২০২০-২১) সরকার এই ঘাটতি ৩.৫ শতাংশে আটকে রাখতে পারবে৷ যদিও ফিসক্যাল রেসপন্সিবিলিট অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট আইন ৩ শতাংশ আর্থিক ঘাটতির কথা বলেছিল৷

এখন মন্ত্রক বা দফতর যে খরচের কথা ধরেছে তা অর্থমন্ত্রকে জমা দেয়৷ এর পরে অর্থমন্ত্রক প্রকল্পের পর্যালোচনা করে এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পরের বছরের জন্য ধরা হয়৷ এক্ষেত্রে স্বশাসিত সংস্থার জন্য বরাদ্দ তহবিল স্বব্যবহারের শংসাপত্র পেশ করা হয়৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ