নয়াদিল্লি:  দ্বিতীয়বার মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর এবার সরকারের দ্বিতীয় বাজেট। দেশের আর্থিক গতি তলানিতে, এই অবস্থায় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। তবে এবারের বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের একাংশে বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে। অর্থনীতির খারাপ অবস্থা নিয়ে বারবার খোঁচা দিচ্ছে বিরোধীরা। তাই এবারের বাজেট সীতারামনের কাছে ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সুকৌশলে বাজেটে গ্রামীণ অর্থনীতির উপরেই জোড় দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। দেশের কৃষকদের জন্যে একগুচ্ছ প্রস্তাব এবারের বাজেটে।

তবে গ্রামীণ অর্থনীতির পাশাপাশি ডিজিটাল ভারত গড়ার দিকেও বিশেষ নজর মোদী সরকারের। আর সেই কারণে দেশের মাটিতে স্মার্টফোন শিল্পকে উৎসাহ দিতে বড়সড় বাজেটে বড়সড় প্রস্তাব রাখলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। আর সেজন্যে নতুন স্কিমের কথাও ঘোষণা করলেন তিনি।

এর ফলে বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস তৈরি করে এমন শিল্পসংস্থাগুলিও উতসাহ পাবে বলে বাজেটে জানান নির্মলা। এছাড়াও নয়া এই স্কিম ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন শিল্পকে দেশের মাটিতে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে পথ দেখাবে বলে বাজেট পড়ার সময় বলেন অর্থমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বাজেটের শুরুতেই দেশের কৃষকদের জন্য পরপর ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। বলেছেন, ২০২২-এর মধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা মোদী সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, কৃষক ও কৃষির উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে ১৬ পয়েন্টের অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। সব ধরনের কৃষির ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কৃষির বাজারকে আরও বেশি প্রতিযোগিতা মূলক করার কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ফসল বীমা যোজনার আওতায় ৬.১১ কোটি কৃষক রয়েছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষি ক্ষেত্রে প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন। ১০০ টি জেলা, যেখানে জলের সমস্যা রয়েছে, সেখানে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে। সোলার পাম্প সেট করার জন্য ২০ লক্ষ কৃষককে টাকা দেবে সরকার।

পাশাপাশি, সার ব্যবহার ও জল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কৃষকদের নিয়ন্ত্রণ আনার বিষয়ে জোর দিয়েছেন তিনি। কৃষকদের জন্য কিষান ক্রেডিট কার্ড স্কিমের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। তৈরি হবে কিষান রেল প্রকল্প। ভারতীয় রেলের সঙ্গে পিপিপি মডেলে চলবে ট্রেন, যাতে কৃষি পণ্য বহন করা হবে। অন্যদিকে, সিভিল এভিয়েশন লঞ্চ করবে কৃষি উড়ান। কৃষকদের জন্য ভিলেজ স্টোরেজ স্কিম আনা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।