কলকাতা: কয়েকঘণ্টা পরই মোদী-টু সরকারের প্রথম বাজেট পেশ৷ অর্থনীতিবিদদের মহলে বাজেট নিয়ে চর্চা তুঙ্গে৷ এই বাজেট ঘিরে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদেরও রয়েছে একাধিক প্রত্যাশা৷একনজরে তা দেখে নেওয়া যাক৷

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়( INTTUC): প্রথমত সারা দেশে শ্রমিকরা খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছে৷যাঁরা সংগঠিত শ্রমিক তাঁরা তো আন্দোলন করে দাবি দাওয়া আদায় করে৷তাঁদের অত অসুবিধে হয় না৷ কিন্তু দেশে অসংগঠিত শ্রমিকদের সংখ্যা বেশি৷ তাঁদের নূন্যতম ২০ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে৷ পেনশনের আওতায় আনতে হবে৷ এককথায় সামাজিক সুরক্ষা বলতে যা বোঝায় তা সুনিশ্চিত করতে হবে৷

কামরুজ্জামান কোমার(সভাপতি, INTUC): এই সরকারের থেকে আমাদের বড় কোনও প্রত্যাশা নেই৷তার কারণ মোদীজি প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই দেশে স্বাধীনতার আগে থেকে যে শ্রমিক আইনগুলি রয়েছে সেগুলো বিলুপ্ত করার কথা বলেছেন৷আমাদের আশঙ্কা যে শ্রমিকদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে৷একশোটির বেশি কোম্পানির বেসরকারিকরণ করতে চলেছেন৷এরমধ্যে রাজ্যের ৬টি কোম্পানি রয়েছে৷ তাই শ্রমিক মহলের ওনার থেকে কিছু চাওয়ার নেই৷

শ্যামল চক্রবর্তী( সর্বভারতীয় সহ সভাপতি, CITU): এটা বাজেটের মধ্যে পড়েনা তবু শ্রমিক বিরোধী আইনগুলোকে আনা বন্ধ করুক কেন্দ্রীয় সরকার৷শ্রমিকদের ১৮ হাজার টাকা ন্যুনতম মজুরি তা বাজেটে গ্যারান্টেড করতে হবে৷ না দিলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে৷ এছাড়া, ষাট বছর বয়স হয়ে গেলে ৬ হাজার টাকা মাথা পিছু পেনশনের ব্যবস্থা করা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও পেনশনের টাকা শেয়ার বাজারে দেওয়া যাবে না৷ যথাযোগ্য মূল্যে শ্রমিকদের অবসরের পর সেই টাকা ফেরত দিতে হবে৷ সেইসঙ্গে মহিলা সহ সকলের ক্ষেত্রেই সমান কাজে সমান বৈধতা দিতে হবে৷

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে মোদী সরকারের অন্তর্বতীকালীন বাজেটে অসংগঠিত কর্মীদের জন্য ‘মেগা পেনশন যোজনা’ঘোষণা করা হয়। সেইসঙ্গে ৬০ বছরের বেশি বয়সী অসংগঠিত শ্রমিকদের ‘প্রধানমন্ত্রী শ্রম যোগ মন্ধন’ প্রকল্পে ৩ হাজার টাকার মাসিক পেনশন দেওয়ার কথাও বাজেটে বলা হয়৷