অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: “এই ৮৫ বছর বয়সে এসে পুজোর সময় ছোটবেলার কথাই বেশি মনে পড়ে। দেশভাগের আগে রংপুরে থাকতাম। পাড়ায় দুর্গাপুজো হত। একটা পুকুরের পাশে কদম গাছের নীচে বানানো হত মণ্ডপ। পুকুরের জলে নানা রঙের ঢোঁড়া সাপ খেলা করত। শরৎকালে তারা কদমগাছে উঠে রোদ পোহাত।

পুজো ঘিরে কত আনন্দ ছিল মনে। যখন একটু বড় হলাম তখন মণ্ডপে যত না ঠাকুর দেখতাম, তার চেয়ে সুন্দরী মেয়ে দেখতাম বেশি!” পুজোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এইসব কথাই উঠে এল জনপ্রিয় সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর কণ্ঠে।

তাঁর উপন্যাস, বাবলি, একটু উষ্ণতার জন্যে, কোয়েলের কাছে, মাধুকরী– বহুদিন থেকেই বেস্ট সেলার। তবে জীবন সায়হ্ণে এসে লেখার চেয়ে গান নিয়ে থাকেতেই ভালবাসেন বুদ্ধদেব গুহ। কিছুদিন আগে শিশির মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে বুদ্ধদেব গুহর একক গানের অনুষ্ঠান। তাঁর স্ত্রী ছিলেন সুপরিচিত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ঋতু গুহ। এবারও পত্রপত্রিকার শারদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে বুদ্ধদেব গুহর গল্প-উপন্যাস।

kolkata24x7-কে তিনি বলেন, “এখন লেখা কমিয়ে দিয়েছি। তবে অনুভব করি, কিছু সংখ্যক পাঠক এখনও আমার লেখা ভালবাসেন। এবার শুকতারা, নবকল্লোল, সন্দেশ ইত্যাদি পত্রিকায় লিখেছি।

একটা বড় গল্প প্রকাশিত হয়েছে একটি বাণিজ্যিক পত্রিকায়। আমি ছবি আঁকতে ভালবাসি। গত বছর আমার ছবি নিয়ে একটি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে কলকাতায়। কিন্তু, চোখের সমস্যার জন্য এখন আঁকাআঁকি বন্ধ। লেখার ক্ষেত্রে ডিকটেড করি, কেউ একজন লিখে দেয়। তাই ইদানীং আমার সব সময়ের আশ্রয় শুধুমাত্র গান।” কিছুদিন আগেই টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ডি-লিট সম্মানে ভূষিত করেছে সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহকে।

১৯৭৬ সালে ‘হলুদ বসন্ত’ উপন্যাসের জন্য আনন্দ পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁর সৃষ্ট চরিত্র ‘ঋজুদা’-র সঙ্গে অ্যাডভেঞ্চারে মেতে উঠতে ভালবাসেন নানা বয়সের বাঙালি। বুদ্ধদেব গুহ তাঁর সমস্ত পাঠকের উদ্দেশে জানিয়েছেন পুজোর শুভেচ্ছা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।