অরুণাভ রাহারায়, কলকাতা: তাঁর লেখা উপন্যাস ‘একটু উষ্ণতার জন্য’, ‘বাবলি’ অথবা ‘কোয়েলের কাছে’ পড়েননি এমন পাঠক বোধ হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। লেখক পরিচয়টাই সর্বাধিক পরিচিত হয়েও তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারি। তিনি সবার প্রিয় সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ।

এর আগে বুদ্ধদেব গুহর আঁকা ছবি প্রদর্শিত হয়েছে। তাঁর আঁকা ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পীরাও। শুধু ছবি আঁকা নয়, তিনি একসময় খুব ভালো সাঁতার কাটতেন। শিকারি হিসেবেও সুপরিচিত। একটি সাক্ষাৎকারে নিজেই কবুল করেছেন– ‘আমি বন্দুক চালালে গুলি গিয়ে লাগতো বাঘের কপালের মাঝখানে’। বুদ্ধদেব গুহর প্রথম দিকের লেখার বিষয় ছিল শুধুমাত্র শিকার। সেই সময় রমাপদ চৌধুরী বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। রমাপদ বাবু তরুণ লেখক বুদ্ধদেব গুহকে বলেছিলেন, ‘শিকার নিয়েই লিখুন। আগে নামটা সবাই জানুক। তারপর না-হয় অন্য বিষয়ে চলে যাবেন।’

সেই বুদ্ধদেব গুহ পরে প্রপার সাহিত্য রচনা করে পাঠকের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। বুদ্ধদেব বাবু এবার আসতে চলেছেন শিশিরমঞ্চে একক তাঁর গানের ডালি নিয়ে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বর শ্রোতার সামনে রবীন্দ্রসঙ্গীত, টপ্পা এবং পুরাতনী গান গেয়ে শোনাবেন তিনি। প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ঋতু গুহ ছিলেন তাঁর স্ত্রী।

kolkata24x7-কে বুদ্ধদেব গুহ বলেন, “রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী পূর্বাধাম এই মুহূর্তে নানা রোগে আক্রান্ত। তাঁর স্বামী অরুণ ধাম আমার বন্ধু। আমরা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়তাম। পূর্বাধামের পাশে দাঁড়ানো দরকার। সে জন্য দেবব্রত বিশ্বাসের ছেলের ছাত্ররা তাঁদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করেছে। যদিও আমি খুব একটা ভালো গাইতে পারি না এখন। তবু অনেকে আমার গান ভালোবাসেন। কিছু রবীন্দ্রসঙ্গীত, টপ্পা এবং পুরাতনী গান গাইবো। সবার শেষে গাইবো– কিছুই তো হল না।” বুদ্ধদেব গুহর আন শোনার জন্য অপেক্ষা করে আছে তাঁর অগুনিত ভক্ত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ