কলকাতা: রবিবার বামেদের ব্রিগেড সমাবেশে আসতে পারবেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। দলের তরফে চেষ্টা করা হয়েছিল তাঁকে যাতে ভার্চুয়ালি সমাবেশে যোগদান করানো যায়। কিন্তু চিকিৎসকদের অনুমতি না মেলায় তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ব্রিগেডের আগের দিন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দলের সমর্থক ও কর্মীদের জন্য বার্তা দিলেন।

এদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছেন, “ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বিভিন্নভাবে খবরাখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। শুনে বুঝতে পারছি বহু মানুষ সমাবেশে আসবেন এবং অনেকে এসে গেছেন। বড় সমাবেশ হবে। এরকম একটা বৃহৎ সমাবেশে যেতে না পারার মানসিক যন্ত্রণা বোঝানো যাবে না। মাঠে ময়দানে কমরেডরা লড়াই করছেন আর আমি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলেছি। ময়দানে মিটিং চলছে আর আমি গৃহবন্দী যা কোনদিন কল্পনাও করতে পারিনি। সমাবেশের সাফল্য কামনা করছি।”

২০১৯ এর ৩ ফেব্রুয়ারিতে লোকসভা নির্বাচনের আগে বামেদের ব্রিগেড সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অসুস্থ শরীর নিয়েও বামেদের ডাকা ব্রিগেড সমাবেশে সেদিন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এসেছিলেন রাজ্যের মানুষের ভালোর জন্য, অবশ্যই দলের কর্মীদের উজ্জীবিত করার জন্য। চিকিত্‍সকের অনুমতি নিয়েই তাঁকে ব্রিগেডে আনা হয়েছিল বলে তখন জানিয়েছিলেন সিপিএম-এর সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। তবে অসুস্থতার কারণে মঞ্চে উঠতে পারেননি বুদ্ধবাবু।

২০১৫- র শেষের পর ২০১৯ এর ৩ ফেব্ররুয়ারি রবিবার তিন বছর পর বামেদের ব্রিগেড সমাবেশ হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে ব্রিগেডে সভা করার সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই বামেদের এই ব্রিগেড সমাবেশ হয়েছিল সেবার। ২০১৫ সালে বামেদের শেষ ব্রিগেডে বামেদের সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। আর ২০১৯ এ তিনি প্রধান শ্রোতা হয়ে ছিলেন।

এবার বুদ্ধবাবুর শরীর খারাপ। তাই তাঁকে ব্রিগেডে শারীরিক ভাবে হাজির করানো সম্ভব নয়।কিন্তু সভামঞ্চে ভার্চুয়ালি ফটোক্রোম্যাটিক ফ্রেমের চশমা পরা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর উপস্থিতি খুব জরুরি। তাঁর গলা থেকে “কমরেড” ধ্বনিটা শুনে এখনও উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য তাঁর দল সিপিএম তথা বামফ্রন্ট অপেক্ষা করে রয়েছে। তাঁর ওপর এখনও রাজ্যের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাস অটুট। সদ্য বুদ্ধবাবু শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তার পর তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়ির বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেননি। সিওপিডি-কারণে বাড়িতেই তাঁর জরুরী সমস্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা রেখে বাড়িতে চিকিৎসা চলছে। তাই সিপিএমের তরফে চেষ্টা চলছে বুদ্ধবাবুর বাড়ি থেকে ভার্চুয়ালি যাতে তাঁকে ২৮ ফেব্রুয়ারির ব্রিগেডে হাজির করানো যায়। কিন্তু চিকিৎসকার মত না দেওয়ায় ভার্চুয়ালিও তিনি ব্রিগেডে উপস্থিত হতে পারছেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.