বেজিং: করোনার হানায় হঠাৎ করে বদলে গিয়েছে জীবনের ছন্দ। প্রায় ছয় মাস হতে চলল ঘর বন্দি সকলে। গোটা বিশ্ব লড়ছে অদৃশ্য এক ব্যাধির সঙ্গে। আর এই লড়াইয়ে প্রথম দিন থেকেই দিনরাত এক করে লড়ে চলেছেন চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা। অদৃশ্য ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে তাঁদের ঢাল শুধুমাত্র মাক্স আর পিপিই কিট। সেই পোশাক পরেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

হালকা পোশাক পরেই গরমে ঘেমে নেয়ে যাচ্ছি আমরা। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন যাঁরা পিপিই কিট পরে টানা ১২/১৪ ঘন্টা কাজ করে চলেছেন তাঁদের অবস্থা কেমন? চিকিৎসক, নার্স ছাড়া বোধহয় কেউই সেই কষ্ট টের পাবেন না। তেমনই এক করোনাযোদ্ধার কষ্টই এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল।

ওই ভিডিও দেখে রীতিমত চোখে ছলছল অবস্থা নেট জনতার। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে চিনের এক নার্সকে দেখা গিয়েছে। তিনি একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। ধীরে ধীরে পায়ের দিকের পিপিই স্যুট খুলছেন। আর সেই সময় তাঁকে দেখলে মনে হচ্ছে যেন কেউ বালতি করে তার পায়ের দিকে অনেকটা জল ঢেলে দিয়েছে। কিন্তু না তেমন কিছুই ঘটেনি! ওই জল আসলে তাঁর শরীরের ঘাম।

আসলে পিপিই পরে থাকার সময় শরীরে প্রচণ্ড ঘাম হয়। শরীর থেকে বেরনো ঘাম জমা হয় পোশাকের ভিতরেই। তাই পিপিই’র নিচের অংশ খোলার পর তা নিচ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে যায়। তার ফলেই ভিজে যায় মাটি। চিনা ‘পিপলস ডেইলি’ নামে একটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ওই ভিডিওটি গত ৮ আগস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়।

উত্তর পশ্চিম চিনের জিংজিয়াং শহরের রাজধানীতে উরমকির ওই ভিডিওটি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। ওই নার্সকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটপাড়ার সদস্যরা। এর আগেও অসমে ঠিক একই ভাবে এক নার্সকে পিপিই পরে গরমে ক্লান্ত অবস্থায় মাটিতেই বসে পরতে দেখা গিয়েছিল। করোনা পরিস্থিতিতে নিজের জীবন বাজি রেখে অন্যের সেবা করে চলেছেন চিকিৎসক এবং নার্সরা। প্রতিদিন ১০-১২ ঘণ্টা করে তাঁদের পরতে হচ্ছে পিপিই কিট। সঙ্গে মাস্ক, ফেস শিল্ড, গ্লাভস। সব মিলিয়ে ত্রাহি ত্রাহি রব। তা সত্ত্বেও যেন কোনও ক্লান্তি নেই তাঁদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।