নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রায়ত্ত বিএসএনএল-এর ৫৪,০০০ কর্মী ছাঁটাই হতে চলেছে ৷ এই প্রস্তাব ইতিমধ্যেই সংস্থার বোর্ডে অনুমোদন হয়ে গিয়েছে আপাতত ভোট অবধি অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার করে ৷ ডেকান হেরাল্ড সংবাপত্রে এমনই প্রতিবেদন বের হয়েছে৷ যাতে জানান হয়েছে,সূত্রের খবর সরকারের তৈরি বিশেষজ্ঞ কমিটি ১০টি সুপারিশ করেছিল যার মধ্যে তিনটি অনুমোদন করেছে বিএসএনএল বোর্ড৷

যদিও যতক্ষণ না ভোট মিটছে ততক্ষণ টেলিকম দফতর এইছাঁটাইয়ের প্রস্তাব এখনও প্রয়োগ করতে চাইছে না৷ আধিকারিকরা এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে অপেক্ষা করতে চাইছেন নতুন সরকার আসা অবধি৷ কারণ এই রকম ভিআরএস প্যাকেজ অথবা ব্যবসা গোটানোর খবর প্রকাশ হলে নির্বাচনের আগে তার একটা বড় প্রভাব পড়বে বলেই আশংকা করা হয়েছে৷

বিশেষজ্ঞ কমিটি সুপারিশ যা বোর্ড অনুমোদন সেগুলি হল – অবসরের বয়য় ৬০ বছর থেকে কমিয়ে ৫৮ করা,৫০ ঊর্ধ্ব সমস্ত কর্মীকে ভিআরএস দেওয়া এবং বিএসএনএলকে ৪ জি স্পেকট্রাম দ্রুত বরাদ্দ করা৷ অবসরের বয়স কমানো এবং ভিআরএস দেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ৫৪,৪৫১ বিএসএলএল কর্মীকে দরজা দেখান হচ্ছে যা মোট কর্মী ১৭৪৩১৪এর ৩১ শতাংশ৷

অবসরের বয়স কমিয়ে আনার মাধ্যমে কর্মী সংখ্যা কমবে ৩৩৫৬৮ জন এবং এই উদ্যোগের ফলে বিএসএলএলের আগামী ছয় বছরে ওয়েজ বিল বাবদ লোক কমবে ১৩,৮৯৫ কোটি টাকা৷ অন্যদিকে ভিআরএস করানোর মাধ্যমে বছরে টাকা বাঁচবে ১৬৭১ কোটি টাকা থেকে ১৯২১ কোটি টাকা৷ ভিআরএস বাবদ সংস্থার খরচ হবে ১৩,০৪৯ কোটি টাকা৷

টেলিকম দফতর ইতিমধ্যেই ট্রাই-কে জানিয়েছে, এমটিএনএল এবং বিএসএলএল-কে ৪জি স্পের্কট্রাম ইস্যু করার বিষয়টি খতিয়ে দেখুক ৷ ট্রাই-এর মন্তব্যের পরে ওই দুই টেলিকম সংস্থার ভবিষ্যতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷বিএসএনএল-এর আর্থিক ক্ষতির জন্য সরকার তিন সদস্যের একটি কমিটি গড়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য- যাদের মধ্যে রয়েছে রেখা জৈন ( কো-অর্ডিনেটর) বিশাল গুপ্তা এবং অজয় পান্ডে – এই তিনজনেই আইআইএম আহমেদাবাদের অধ্যাপক৷