কলকাতা:  খুবই খারাপ সরকারি টেলিকম সংস্থা বিএসএনএলের আর্থিক অবস্থা। লাগাতার লোকসানে চলছে। একাধিক পরিকল্পনা করেও এখনও পর্যন্ত সংস্থাকে লাভের মুখ দেখানো যায়নি। ফলে কোষাগারে চাপ বাড়তেই থাকে। ফলে কর্মীদের মাসের শেষ দিনে বেতন দেওয়ার দীর্ঘকালের প্রথা থেকে পিছু হটছে কর্তৃপক্ষ। মাসের শেষ দিকে কোষাগারে পর্যাপ্ত ফান্ড না থাকার জন্যই এই পদক্ষেপ বলে অনুমান করছেন সকলেই.

আগামী জুলাই মাস থেকে নিচুতলার কর্মী ও অফিসাররা মাসের শেষ দিনের পরিবর্তে পরবর্তী ১ তারিখ বেতন পাবেন। আর মোটা মাইনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা বেতন পাবেন পরের মাসের পাঁচ তারিখ। চলতি মাসের ১৮ তারিখ বিএসএনএল-এর দিল্লির কর্পোরেট অফিস থেকে গোটা দেশে সংস্থার অফিসগুলির জন্য এই মর্মে সার্কুলার পাঠানো হয়েছে। সংস্থার বাজেট, ফিনান্সিয়াল কন্ট্রোল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার ওয়াইএন সিং দিল্লি থেকে সমস্ত সার্কেল ও মেট্রো শহরের চিফ জেনারেল ম্যানেজারদের কাছে ওই সার্কুলার পাঠিয়েছেন। এমনটাই জানাচ্ছে বাংলার এক সংবাদপত্র।

তবে এই সার্কুলারে চাপ বেড়েছে এই সেক্টরের কর্মীদের। শুধু তাই নয়, এবার সেই প্রথায় ছেদ পড়তেই কর্মিমহলে প্রত্যাশিতভাবেই তৈরি হয়েছে নয়া আশঙ্কা। ২০০০ সাল থেকে বিএসএনএলের পথ চলা শুরু হয়েছে। এরপর থেকে কখনও বেতন নিয়ে সমস্যা হয়নি। প্রায় ২ লক্ষ কর্মী রয়েছে সংস্থার। কিন্তু গত বছর ধরে যেভাবে সংস্থার লোকসান হতে শুরু করেছে তাতে বেতন পিছতে বাধ্য হচ্ছে সংস্থা। ভাঁড়ারে অবস্থা যা, তাতে তখন স্থায়ী কর্মীদের বেতন ১৫-১৬ তারিখ নিতে হবে।