নয়াদিল্লি: এবার চিনের সংস্থার টেন্ডার বাতিল করল বিএসএনএল। রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থার ফোর জি পরিষেবায় দুই চিনা সংস্থা প্রযুক্তিগত সাহায্য দেওয়ার বরাত পেয়েছিল। লাদাখে লালফৌজের আগ্রাসন নিয়ে চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে চিনের সংস্থার সঙ্গে কোনও কাজ করতে চায় না ভারত। সেই কারণেই চিনের সংস্থা থেকে কোনও মালপত্র নেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিএসএনএল।

বিসএনএল সূত্রে জানা গিয়েছে, শীঘ্রই তাঁদের ফোর জি পরিষেবা উন্নত করতে ফের টেন্ডার ডাকা হবে। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার কাজের বরাত দেওয়া হবে অন্য কোনও সংস্থাকে।

লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনা আগ্রাসনে শহিদ হয়েছেন ২০ ভারতীয় সেনা-জওয়ান। অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় সেনা। দু’পক্ষের সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন আমেদের বীর সেনা-জওয়ানরা।

লাদাখ সীমান্তে চিনের এই চোখরাঙানির পর থেকেই দেশজুড়ে চিনা দ্রব্যসামগ্রী বয়কটের ডাক আরও তীব্র হতে থাকে। রাজ্যে-রাজ্যে চিনা দ্রব্য বয়কটের দাবিতে করোনা আবহেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়।

চিনকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত করতে তৎপরতা নেয় কেন্দ্রীয় সরকারও। দিন কয়েক আগেই বিহারে একটি ব্রিজ তৈরিতে দুই চিনা সংস্থার সঙ্গে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা কাজের বরাত বাতিল করে দেয় কেন্দ্র।

এছাড়াও ভারতে চালু থাকা ৫৯টি চিনা অ্যাপও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একদিকে, সীমান্তে চিনা আগ্রাসন রুখতে যেমন জোরদার তৎপরতা চলছে, ঠিক তেমনি চিনকে অর্থনৈতিকভাবে আঘাত করতেও চেষ্টার কোনও কসুর করছে না ভারত।

অন্যদিকে, লাদাখে ভারত এবং চিনের সঙ্গে সংঘাত। আর তার জের এবার পড়তে চলেছে দেশের সড়ক নির্মাণেও। চিনা কোনও সংস্থাকে সড়ক নির্মাণের বরাত আর দেওয়া হবে না। সাফ জানিয়ে দিলেন নীতিন গডকড়ি।

তিনি জানিয়েছেন, যৌথ উদ্যোগে কোনও সড়ক নির্মাণের দায়িত্বও আর দেওয়া হবে না চিনা কোনও সংস্থাকে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পেও কোনও চিনা সংস্থাকে বিনিয়োগ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন গডকরি। মোদী সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ