নয়াদিল্লি: দ্বিচারিতা কতদূর যেতে পারে, পাকিস্তান পদে পদে তার প্রমাণ দিচ্ছে৷ অন্তত পুলওয়ামার হামলার পর সেই তত্ব প্রমাণিত৷ ১৪ তারিখ পুলওয়ামায় ভয়ঙ্কর হামলার দুদিন আগেই অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি বিএসএফ ও পাক রেঞ্জার্সের মধ্যে শান্তি চুক্তি নিয়ে বৈঠক হয়৷ সেই বৈঠকের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে৷

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারতের গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকরাও৷ আন্তর্জাতিক সীমানা বরাবর যাতে স্থিতি বজায় থাকে, তার ওপর আলোচনা চলে৷ এবং বরাবরের মতোই যাবতীয় শান্তি বৈঠককে ব্যর্থ করে হামলা চালায় পাকিস্তান৷

আরও পড়ুন : হামলা হতে পারে, এক ভিডিওতে দু’দিন আগেই ইঙ্গিত পেয়েছিল কাশ্মীর পুলিশ

এই বৈঠককে সফল বলে দাবি করেছিলেন বিএসএফের মুখপাত্র৷ বৈঠকটি হয়েছিল জম্মুর সুকেতগড় এলাকায়৷ সেক্টর কমাণ্ডার লেভেলের বৈঠক হয়ে এটি৷ বিএসএফের তরফে উপস্থিত ছিলেন ১৬জন আধিকারিক৷ অন্যদিকে ছিলেন পাকিস্তানের ১৪ জন অফিসার৷ গত মাসেও এরকম একটি বৈঠক করা হয়, যেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠার করার কথা বলা হয়েছিল৷

এই বৈঠকে দুদেশের মধ্যে গুলির লড়াই, জঙ্গি অনুপ্রবেশ ও অন্যান্য কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে৷ তবে পরিস্থিতি কখনই উত্তপ্ত হয়নি৷ সদর্থক আলোচনা হয় বলেই জানা যায় বৈঠক শেষে৷

আরও পড়ুন : মোদী সরকারের আমলে কোনও বড় হামলা হয়নি, দু’দিন আগেই বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

এই ধরণের রুটিন বৈঠকের পরেও সীমান্তের উত্তাপ বিন্দুমাত্র কমেনি৷ ২০১৮ সালে সীমান্তে গুলির লড়াইয়ের ঘটনা বাড়ে৷ ২০১৯ সালেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে৷ ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত ২১৯টি সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল৷ কিন্তু পাকিস্তান যে সোজা রাস্তায় চলার বান্দা নয়, তা আরও একবার প্রমাণিত৷ এখন দেখার ভারত কতক্ষণ নিজের সহ্যশক্তির পরীক্ষা দেয়৷