জম্মু : ফের অনুপ্রবেশের প্ল্যান বানচাল করল বিএসএফ। উদ্ধার হল ১৫০ মিটার লম্বা টানেল। জম্মু কাশ্মীরের কাঠুয়ায় পাকিস্তান সীমান্ত বরাবর এই টানেল উদ্ধার হয়েছে। শনিবার তল্লাশি চালানোর সময় টানেলটি উদ্ধার করে বিএসএফ।

বিএসএফের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই টানেলটি জঙ্গি অনুপ্রবেশের সুবিধার জন্যই বানানো হয়েছে। কাঠুয়ার পানসর এলাকায় উদ্ধার হওয়া টানেলটি ১৫০ মিটার লম্বা ও ৩০ মিটার গভীর। ৩ফুট চওড়া টানেলটি যেখানে তৈরি করা হয়েছে, সেখানেই ২০২০ সালের জুন মাসে একটি পাক ড্রোন বা হেক্সাকপ্টারকে গুলি করে মাটিতে নামিয়ে ছিল বিএসএফ। ড্রোনটিতে ভর্তি ছিল অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম।

সংবাদসংস্থা পিটিআইকে বিএসএফ জানিয়েছে পানসর এলাকার হিরানগর সেক্টরে বর্ডার আউটপোস্টের কাছেই উদ্ধার হয় গুপ্ত টানেলটি। দিন দশেক আগেই হিরানগর সেক্টরের কাছে আরেকটি অপেক্ষাকৃত ছোট টানেল উদ্ধার হয়। উল্লেখ্য গত ২২ শে নভেম্বর, জম্মু কাশ্মীরের সাম্বা জেলার রিগাল এলাকার পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে উদ্ধার হয় ১৫০ ফুট লম্বা টানেল। বিএসএফ জানায়, ভারতে অনুপ্রবেশ ঘটাতে এই টানেল বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা হয়েছে। বিএসএফ আধিকারিকদের মতে এই আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল অনুপ্রবেশের জন্যই জঙ্গিরা ব্যবহার করত।

বিএসএফের সার্চ পার্টি জানায়, এই টানেলের মুখ পাকিস্তানে। এখান থেকেই অবাধে যাতায়াত করত পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। সবচেয়ে বড় কথা, এই টানেল যেখানে শেষ হয়েছে, তার কিছু দূরেই পাক সেনা ছাউনি রয়েছে। অর্থাৎ কাশ্মীরে সন্ত্রাস চালানোর পিছনে যে পাক যোগের কথা বারবার ভারত বলে এসেছে, ফের একবার তার প্রমাণ মিলল।

এক ট্যুইট বার্তায় বিএসএফ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় জোরদার তল্লাশি শুরু করেছিলেন জওয়ানরা। জানা গিয়েছিল ওই এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটতে পারে। পাকিস্তান সীমান্ত থেকে শুরু হয়ে ওই টানেল দুটি শেষ হয়েছে ভারতের প্রান্তে, যেখান থেকে সহজেই কাশ্মীর বা জম্মুর বিভিন্ন এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে থাকা যাবে।

জঙ্গিদের ব্যবহারের উদ্দ্যেশেই টানেল দুটি বানানো হয়েছিল বলে খবর। বিএসএফ জানাচ্ছে, ওই এলাকায় এর আগেও একাধিক টানেল পাওয়া গিয়েছে। মূলত পাক সেনার সাহায্যেই টানেল গুলি তৈরি করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।