ফাইল ছবি

ঢাকা: করোনা মহামারির মাঝেই বাংলাদেশ ভারত সীমান্তরক্ষী বাহিনির সম্মেলন শুরু হছে বুধবার। চারদিনের সম্মেলনে বিজিবি ও বিএসএফের শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকরা অংশ নিচ্ছেন।

ঢাকায় সম্মেলন চলবে চারদিন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে দুই দেশের সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে। ঢাকায় বিজিবি সদর দফতরে হবে এই সম্মেলন।

এই সীমান্ত সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল ১৩ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর সম্মেলন স্থগিতের কথা জানায় বিজিবি।

জানানো হয়, বিএসএফ প্রতিনিধিদলের যে বিমানে ঢাকায় আসার কথা ছিল, শেষ মুহূর্তে কারিগরি সমস্যায় উড়ান বাতিল হয়। জট কাটিয়ে এবার বুধবার থেকে সম্মেলন শুরু হচ্ছে।

এই সম্মেলনে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মহম্মদ সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৩ সদস্য থাকে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র এবং বিদেশ মন্ত্রক, যৌথ নদী কমিশন এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতরের কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করবেন।

বিএসএফ মহাপরিচালক রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করবেন সম্মেলনে।

ফাইল ছবি

ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ভারতের স্বরাষ্ট্র ও বিদেশ মন্ত্রকের কর্মকর্তারা অংশ নেবেন। ১৯ সেপ্টেম্বর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনির যৌথ দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সীমান্ত সম্মেলন শেষ হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।