লন্ডন: লকডাউন পরবর্তী লিগের প্রথম ম্যাচটা দু’দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আগামী মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নিরিখে। প্রথম চারে শেষ করার নিরিখে জয়ের প্রত্যাশী হয়েই মাঠে নেমেছিল দু’দল। ম্যাঞ্চেস্টার জিতলে পয়েন্টের নিরিখে ছুঁয়ে ফেলতে পারত চতুর্থস্থানে থাকা চেলসিকে। অন্যদিকে অষ্টমস্থানে থাকা টটেনহ্যাম জিতলে ব্যবধানটা অনেক কমিয়ে আনতে পারত তাঁরা।

প্রথমার্ধের গোলে সম্ভাবনাটা অনেকটা উসকে দিয়েছিলেন স্পারসের স্টিভ বার্গউইন। পুরনো দলের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে হারের বদলা নেওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছিল জোস মোরিনহোর। কিন্তু শেষ লগ্নে এরিক ডায়েরের ভুলে বদলা নেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হল পর্তুগিজ কোচের। ১-১ অমিমাংসিত অবস্থায় শেষ হল টটেনহ্যাম বনাম লাল ম্যাঞ্চেস্টারের লড়াই।

করোনা পরবর্তী সময় প্রথম ম্যাচের আগে হাঁটু মুড়ে বসে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনকে সমর্থন জানান দু’দলের ফুটবলাররা। ম্যান ইউ’য়ের তরুণ স্ট্রাইকার মার্কাস রাশফোর্ডের একটি স্ন্যাপ শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় রক্ষা করেন স্পারস গোলরক্ষক হুগো লরিস। এরপর ২৭ মিনিটে ম্যাচে লিড নেয় উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। মাঝমাঠ থেকে বল ধরে একটা সোলো রানে দু-তিনজন ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বল জালে রাখেন ডাচ উইঙ্গার বার্গউইন। বিরতির সামান্য আগে সন মিনের জোরালো হেড গিয়া শরীর শূন্যে ছুঁড়ে রক্ষা করলে এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পারসরা।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যান ইউ’য়ের খেলায় কিছুটা ঝাঁঝ পরিলক্ষিত হয়। ৬৩ মিনিটে দীর্ঘ সময় পর একাদশে ফরাসি মিডিও পল পোগবার অন্তর্ভুক্তি চনমনে করে তোলে সোল্কজায়েরের ছেলেদের। এরইমধ্যে ফরাসি স্ট্রাইকার অ্যান্থনি মার্শিয়ালের বাঁ-পায়ের জোরালো ভলি তেকাঠিতে ঢোকার মুখে দুর্দান্ত ভাবে বাঁচিয়ে দেন লরিস। ৮১ মিনিটে ম্যান ইউ পেনাল্টি পায় পোগবার সৌজন্যেই। একক দক্ষতায় বল নিয়ে বক্সে ঢোকার চেষ্টা করলে ফরাসি মিডিওকে অবৈধ উপায়ে বাধা দেন এরিক ডায়ের। পেনাল্টি পায় ম্যাঞ্চেস্টার।

স্পটকিক থেকে নিশানায় অব্যর্থ থেকে ১-১ করেন পর্তুগিজ ব্রুনো ফার্নান্ডেজ। শেষ লগ্নে আরও একবার পেনাল্টি পেয়ে গিয়েছিল লাল ম্যাঞ্চেস্টার। কিন্তু ভিএআরের সৌজন্যে সেই পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয় তাঁরা। ড্র’য়ের ফলে ৩০ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চমস্থানেই রইল ম্যান ইউ। অন্যদিকে সমসংখ্যক ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে আটে টটেনহ্যাম।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ