নয়াদিল্লি: দিল্লির এনসিসি সমাবেশে এসে ফের সিএএ নিয়ে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন দিল্লিতে এনসিসি সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ”ঐতিহাসিক অবিচার সংশোধন করতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা সংখ্যালঘু মানুষদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে।” এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দেশ ভাগের সময় ঘটে যাওয়া অন্যায়ের কথাও তুলে ধরেন সকলের সামনে।

এদিন তিনি আরও বলেন, ”দেশ ভাগের সময় ভারত জুড়ে একটি রেখা টানা হয়েছিল যা মানুষকে বিভক্ত করে দিয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন,” দেশ যখন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তখন যারা দেশ চালাত জওহরলাল নেহেরু, লিয়াকত সকলেই ভারতের দলিত, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার কথা বলেছিলেন। এমনকি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং সংরক্ষণের বিষয়ে গান্ধিজিও একই কামনা করেছিলেন। তাঁদের সেই আশা পূরণ করতেই বর্তমান সরকার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন চালু করেছে।”

এদিন দিল্লির সভা থেকে সিএএ বিরোধী দল গুলিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী। সিএএ বিরোধীতার নামে বিরোধী দলগুলি ভোট ব্যাংকের রাজনীতি শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ”কেন তাঁরা নৃশংসতা লক্ষ্য করে না, কেন তাঁরা নৃশংসতা উপেক্ষা করছে, সিএএ নিয়ে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানানো দরকার। কেউ কেউ দলিতদের কণ্ঠস্বর হিসাবেও কাজ করছেন। অথচ সেই একই লোক যারা পাকিস্তানে দলিতদের উপর হওয়া অত্যাচার উপেক্ষা করছে। তাঁরা ভুলে গিয়েছে যে, পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে চলে আসা বেশিরভাগ নির্যাতিতাই দলিত।”

তিনি আরও বলেন, ”সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা গোটা বিশ্বে আমার সুনামকে প্রভাবিত করেছে বলে বিরোধীরা প্রচার চালাচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ধারণা। এই গুজব ছড়ানোর আগে তাঁদের বুঝতে হবে আমি নিজের খ্যাতি-সুনামের জন্য কোনও কাজ করি না। যা করি তা আমি দেশের সম্মান বৃদ্ধির জন্যই করি।”

এদিকে সিএএ কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাঁদের মতে ভারতের এই ঘটনা “বিশ্বের অন্যান্যদের মধ্যেও বৃহত্তম রাষ্ট্রহীনতা সঙ্কট তৈরি করবে।” পাশাপাশি, ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ডেমোক্রেসি ইনডেক্সে ভারত আরও ১০ ধাপ পিছিয়ে গিয়েছে। বিরোধীদের দাবি, মোদি সরকারের কার্যকলাপেই ভারতের সুনাম গোটা বিশ্বের কাছে নষ্ট হচ্ছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও