কলকাতা : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজ ভাই অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়াত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে তিনি এক মাস কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। শনিবার সকাল বেলায় অসীমবাবুর মৃত্যু হয়।

গত এক মাস আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় বাইপাস সংলগ্ন মেডিকা হাসপাতালে ভর্তি হন। দীর্ঘ এক মাস টানি চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসকরা সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত আর শেষ রক্ষা করতে পারলেন না। শনিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় প্রয়াত হন।

করোনা বিধি মেনে হাসপাতাল থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের মরদেহ কলকাতার নীমতলা শ্মশানে দাহ করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজ ভাই অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কালীঘাটের বাড়িতে থাকতেন। অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ফলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও করোনা থাবা বসালো।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য ভাইয়েরা কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে না থাকলেও অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়,  মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেই কালীঘাটের বাড়িতে থাকতেন। অসীমবাবুর এক পুত্র রয়েছেন। তাঁর নাম আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়। অসীমবাবুর প্রয়ানে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এলো।

রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়ঙ্কর হচ্ছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে কলকাতায় প্রতি ২ জেনে একজন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য তথা দেশের মানুষদের বাঁচাতে প্রয়োজন ভ্যাকসিন। কিন্তু সেই ভ্যাকসিনের আকাল রয়েছে দেশে তথা রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রকে বলেছিলেন রাজ্য কেন্দ্রের থেকে ভ্যাকসিন কিনে সমস্ত রাজ্যবাসীদের বিনা পয়সায় টিকা দেবে। কেন্দ্র তাতে সারা দেয়নি। উল্টে ৭০টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট রাজ্যকে দেওয়ার কথা বলেও রাজ্যের ভাগ্যে শেষ পর্যন্ত চারটি অক্সিজেন প্ল্যান্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্র নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে প্রথম বারের চাইতে দ্বিতীয় দফায় ভারতে করোনায় আরও বেশি মানুষ প্রাণ হারাবেন। তবে পরিস্থিতি যে দিকে যাচ্ছে তাকে কোনও ভাবেই ভালো বলা যায় না। তবে চিকিৎসকরা বলছেন,, এই প্রায় লকডাউনের ফলে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.