uttarakhand glacier burst

চামোলি : জীবনে ফিরছে উত্তরাখন্ডের বন্যা বিধ্বস্ত চামোলি (Chamoli flash floods)। ২০০ ফুটের ব্রিজ বানিয়ে সংযোগ নতুন করে তৈরি করল বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন। যে ১৩টি গ্রামের সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যের, সেই ১৩টি গ্রামে (13 Uttarakhand villages) স্বাভাবিক জীবন ফিরে এসেছে। ঋষিগঙ্গা নদীর ওপর যোশীমঠ-মালারি রোডের পুনর্গঠনের কাজ শেষ হয়েছে। সেখানেই তৈরি হয়েছে ২০০ ফুটের একটি ব্রিজ (restore connectivity)।

এই কাজ করতে গোটা টিম নামে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (BRO)। ১০০টিরও বেশি গাড়ি, জেসিবি কাজে যোগ দেয়। ১৫টি আর্থ মুভিং মেশিনও নিয়ে আসা হয়। কাজে হাত লাগায় ভারতীয় বায়ুসেনা। ব্রিজ তৈরির নানা সরঞ্জাম নিয়ে আসা হয় জম্মু, পাঠানকোট, নেলং, রিমকিম থেকে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি থেকে কাজ শুরু হয় ব্রিজের। ৯দিনের মধ্যে গোটা ব্রিজ তৈরি করে অসাধ্য সাধন করেছে বিআরও ( BRO builds bridge)।

এদিকে, এরই মধ্যে ৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরাখণ্ড বিপর্যয়ের পর এখনও পর্যন্ত ১৩৬ জনের কোনও খোঁজ না মেলায় উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে তাঁদের ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে বলে জানানো হয়। যাতে তাঁদের পরিবারের ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে সুবিধা হয় তাই এই ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের তাঁদের “সম্ভাব্য মৃত” ধরে পরবর্তী ধাপে এগোনো হবে বলে খবর মেলে। বিপর্যয়ের পর এখনও পর্যন্ত ৬৮টি দেহ উদ্ধার করতে পেরেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও ভারতীয় সেনা। সাধারণত দুর্ঘটনার পর যাঁরা নিখোঁজ হন যদি ৭ বছরের মধ্যে তাঁদের কোনও সন্ধান না পাওয়া যায় তারপর তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু চামোলি জেলার এই দুর্ঘটনাকে ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা হয়। ৭ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের উদ্দেশ্য়েই এই ঘোষণা করা হবে বলে সরকারি তরফে জানানো হয়।

তপোবন বাঁধের যেখান সবথেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে কাজ করে ভারতীয় সেনার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। উদ্ধার কাজ কররার জন্য ও ত্রাণ পাঠানোর জন্য একটি দড়ির সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। এর ফলে ত্রাণ পাঠানো অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। যে সব গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে তাদের খাবারের প্যাকেট ও চিকিৎসার সরঞ্জাম পাঠানো হয়। প্রায় ১৩টি গ্রামের সঙ্গে এভাবেই সম্পর্ক রাখা হয়। ওই সব এলাকায় ত্রাণ পাঠানোর জন্য ৮ সিটের একটি এয়ারবাস হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।