লন্ডনঃ  একেবারে যুদ্ধের হুঙ্কার! কয়েকশ অত্যাধুনিক ট্যাংক এবং সেনাকে রাশিয়ার একেবারে সীমান্তে মোতায়েন করতে চলেছে ব্রিটেন।  ইতিমধ্যে বিশাল এই রণসজ্জা পৌঁছে গিয়েছে রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ এস্তোনিয়ায়।  কোল্ড ওয়্যারের পর এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে এতো ব্যাপক সেনা আর মোতায়েন করেনি ব্রিটেন।  ফলে, অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে একেবারে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করছে।  শুধু সামরিকমহলই নয়, ইতিমধ্যে ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্তকে কড়া চোখে দেখছে রাশিয়া।  যার পালটা হিসাবে ইতিমধ্যে রাশিয়ান সীমান্তে নিজেদের সেনার সরঞ্জাম আরও বাড়াচ্ছে রাশিয়া।

সেনা প্রেরণের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১২০ সেনা গঠিত স্পেশাল ফোর্স পাঠানো হয়েছে।  শুক্রবার গভীর রাতে ব্রিটেনের এই দলটি এস্তোনিয়া পৌঁছে গিয়েছে।  আর আগামী সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটিশ তিনশ’ সামরিক যান দেশটিতে পৌঁছে যাবে।  এ ছাড়া, দেশটিতে আটশ’ ব্রিটিশ সেনাও পাঠানো হবে।  আগামী মাসের মধ্যে বিশাল এই পরিমাণ সেনা পাঠানো হবে এস্তোনিয়াতে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকের ফ্যালন বলেছেন, শীতল যুদ্ধ অর্থাৎ কোল্ড ওয়্যারের পর এই প্রথম সবচেয়ে বড় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করতে চলেছে ব্রিটেন।  সেনা মোতায়েনকে প্রয়োজনীয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি আরও দাবি করেন, ক্রমবর্ধমান রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করতে এটি করা হয়েছে।  এদিকে গত জানুয়ারি মাসে সাড়ে তিন হাজার মার্কিন সেনা পোল্যান্ডে মোতায়েন হয়েছে।  ১৯৯১ সালে শীতল যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইউরোপে  এটাই আমেরিকার অন্যতম বৃহত্তম সেনা মোতায়েন।