লন্ডন: সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছিল৷ তাতে তুলে ধরা হয় অপহরণ ও গুমখুনের মতো বিষয়কে৷ বিরোধীদের কণ্ঠরোধের মতো প্রসঙ্গ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়৷

ফলে অস্বস্তিতে পড়ে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছেন তিনি৷ তারপরেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র রীতিমতো ঝুঁকির মুখে বলেই নতুন রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াচ্ছে৷

প্রতীকী ছবি

ইংল্যান্ড সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্র পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদনে বাংলাদেশে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়া এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতা নিয়ে চিন্তা উদ্বেগ জানানো হয়। ‘মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিবেদন ২০১৮’ নামে প্রতিবেদনটি ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতি মহলে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য৷

প্রতিবেদনে বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির দাবি, সরকার গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করে রাখে৷ গত রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইংল্যান্ডের বিদেশমন্ত্রী জেরেমি হান্ট এই বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৌঁছে দেন। তাতে স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রসঙ্গে গুরুত্ব দেন তিনি৷