লন্ডন: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইসলামিক স্টেট জঙ্গি শামীমা কি ফের ইংল্যান্ডে ফিরবে? চাঞ্চল্যকর এই প্রশ্নের জবাবে নরম মনোভাব দেখাচ্ছে এবার ইংল্যান্ড সরকার।

ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, ২১ বছর বয়সী শামীমা বেগম এখন আর দেশের নিরাপত্তার জন্য কোনও হুমকি নয়। এর আগে গত জুলাইয়েও আদালত শামীমার পক্ষে রায় দিয়েছিল। তবে ইংল্যাল্জেরূ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তার জন্য শামীমার ফেরা নিয়ে বিরোধিতা করেন।

এর আগে বাংলাদেশ সরকারের উপর চাপ তৈরি করে ইংল্যান্ড। যেহেতু জঙ্গি শামীমা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তাই তাকে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব প্রদান করুক ঢাকা। এমনই কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছিল লন্ডন। চাপের মুখে অনড় থাকে বাংলাদেশ।

তবে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট জানায় শামীমা বেগম বাংলাদেশের নাগরিক নয়। তাকে কোনওভাবেই বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ঢাকায় বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছিলেন, শামীমা বেগম যদি বাংলাদেশে হাজির হয়, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে।

লন্ডনের এক স্কুল থেকে ২০১৫ সালে দুই বান্ধবী সহ পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেট জঙ্গি হয় শামীমা বেগম। এরপর বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়।

সিরিয়ার মাটিতে আইএসের পতন হলে শামীমার প্রসঙ্গ উঠে আসে। জানা যায় জঙ্গি শিবিরে এক আইসে এস জঙ্গিকে বিয়ে করে শামীমা। তার তিন সন্তান হয়। সবাই মারা গিয়েছে। মানবিকতার খাতিরে জঙ্গি শামীমা কে ফের ইংল্যান্ডে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।