covid 19 vaccine
কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন

লন্ডন: করোনা থেকে বাঁচতে নতুন পদক্ষেপ নিল ব্রিটেন সরকার। এবার থেকে সেই দেশের ৫০ ঊর্ধ্বদের দেওয়া হবে করোনা ভ্যাকসিনের তৃতীয় ডোজ। ক্রিসমাসের আগে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসকে দেশ থেকে সম্পূর্ণ নির্মূল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। তাই এখন থেকেই শুরু হচ্ছে তার প্রস্তুতি। ইতিমধ্য়েই সে দেশের সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে এই খবর।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ট্রায়ালের দুটি বিকল্প এখন অব্যাহত। ইংল্যান্ডের প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ক্রিস হুইট্টি এ কথা জানিয়েছেন। প্রথম বিকল্পের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলি মোকাবেলায়র জন্য টিকা সংশোধিত করা হবে আর। দ্বিতীয়টি ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে যে সব ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হয়েছে তার তৃতীয় শট দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিনগুলোর মধ্যে রয়েছে ফাইজার-বায়োএনটেক (Pfizer-BioNTech), অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা (Oxford-AstraZeneca) ও মডার্না (Moderna)। মঙ্গলবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে এখনও পর্যন্ত ব্রিটেনের মোট ৩৪.৬ মিলিয়নেরও বেশি লোককে প্রথমবার COVID-19 ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। ব্রিটেনের জনসংখ্যা ৬৭ মিলিয়ন। গোটা দেশে এখান আটটি বিভিন্ন রকমের COVID-19 ভ্যাকসিনের ৫১০ মিলিয়ন ডোজ দেওয়া হয়েছে।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক জানিয়েছেন শীঘ্রই ব্রিটেন ফাইজার বা বায়োএনটেকের ভ্যাকসিনের আরও ৬০ মিলিয়ন ডোজ কিনবে। এই বছরের শেষের দিকে বুস্টার প্রোগ্রামের করা হবে। তার আগে ভ্যাকসিনের দ্বিগুণেরও বেশি শট মজুত রাখতে চাইছে তারা। বর্তমানে ব্রিটেন ১০০ মিলিয়ন ফাইজার ভ্যাকসিনের অর্ডার দিয়েছে।

এদিকে কানাডায় ফাইজার ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কিশোরদের দেওয়ার জন্য়। ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সের কিশোরদের ব্যবহারের জন্য ফাইজারের (Pfizer) ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার ফেডারেল স্বাস্থ্য মন্ত্রক এই কথা জানিয়েছে। মার্কিন ফুড এন্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (U.S. Food and Drug Administration) একই ধরণের পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে মার্কিন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। কানাডার ফেডারাল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সিনিয়র উপদেষ্টা সুপ্রিয়া শর্মা বলেছেন, “জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সঙ্গে মিলিত হয়ে ফাইজারের ভ্যাকসিনটি উৎপাদিত হয়েছে। যা অল্প বয়সীদের ক্ষেত্রে নিরাপদ ও কার্যকর। আমার অবশেষে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.