এডিনবার্গ: বর্ষবরণের রাতে আলোর রোশনাইতে ছেয়ে গিয়েছে আকাশ৷ সেই দেখতে রাস্তায় উপচে পড়েছে ভিড়৷ রাতের অন্ধকার ভেদ করে রং বেরংয়ের আলোর মালায় রঙিন হয়ে উঠেছে আকাশ৷ কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন৷ সবুজ রংয়ের আলোর রোশনাইয়ে চমকে গেলেন আমজনতা৷ নাহ, এ কোনও বাজির আলো নয়৷ তাহলে এটি কি? যারা যারা সেই দৃশ্য দেখেছেন৷ তাদের মধ্যে কেউ কেউ দাবি করেছেন যে, সেটি ইউএফও৷

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এটি কোনও বাজির আলো হতেই পারে না৷ কোনও একটি বস্তু থেকে ঠিকরে পড়ছিল সবুজ আলো৷ যা রং কিংবা আকার আয়তনের থেকে একেবারেই আলাদা বাজির থেকে৷ বর্ষবরণের রাতে এই ধরণের দৃশ্য দেখেই সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতুহল দেখা দিয়েছে৷ কেউ কেউ সেই গোটা দৃ্শ্যটি ক্যামেরাবন্দীও করে নিয়েছেন৷ সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই ভিডিওটি পোস্ট করতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেটি৷ অনেকেরই মতে, এটি ইউএফও ছাড়া আর অন্য কিছু নয়৷

এই জিনিসটি নিয়ে ইতিমধ্যেই গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন আমেরিকার একটি গবেষণা কেন্দ্র৷ তাদের দাবি, ওই সবুজ রংয়ের বস্তুটি একটি অগ্নিকুণ্ড৷ স্কটল্যান্ড ছাড়াও ইংল্যান্ডের দক্ষিণ দিকেও ওই দৃশ্যটি দেখা গিয়েছে৷ স্কটল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকেল ৫.৩০টা নাগাদ দেখা গিয়েছে ওই অদ্ভুত দৃশ্যটি৷ কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী হয়েছিল ওই বস্তুটি৷ পরে মার্সডেন উপত্যকার দিকে ধেয়ে গিয়েছে ওই ধুমকেতুটি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I