কলকাতা: মাঝেরহাট উড়ালপুল ভেঙে পড়ার দায় কার? এই প্রশ্ন নিয়ে একেবারেই ভাবিত নয় রাজ্যের বিরোধীরা৷ ঘটনার পরই আহতদের দেখতে এসএসকেএম হাসপাতালে পৌঁছন বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূলের মদন মিত্র, সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী৷ বিরোধীরা প্রত্যেকেই জানালেন, দোষারোপ করে লাভ নেই৷ এখন সময় কাজ করার, আহতদের উদ্ধার করার৷

উড়ালপুল ভাঙার কারণ কি? প্রশ্নের উত্তরে সুজন চক্রবর্তী জানান, যে কারণেই হোক, সেই পর্যালোচনার সময় এখন নয়৷ কোনওরকম দোষারোপের রাজনীতি নয়, বিরোধী হয়েও এত বড় দুর্ঘটনায় মানুষের পাশে থাকতে চান তিনি৷ একই কথা শোনা গেল বিজেপি মহিলা মোর্চা নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মুখে৷ তিনি জানান, রাজনীতির সময় এখন নয়৷ আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক৷ সুজন চক্রবর্তী বলেন,‘কেরল এত বড় বন্যা বিপর্যয় সামলাচ্ছে৷ জাতি,দল ভুলে সবাই বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে৷ পশ্চিমবঙ্গও পারবে৷ এখন আটকে থাকা মানুষগুলোকে উদ্ধার করা হোক৷ সবাইকে জীবিত দেখতে চাই, আর কিছু চাই না৷ ’

পোস্তা উড়ালপুলের ভয়াবহ স্মৃতি ফিরে এল মাঝেরহাট উড়ালপুল দুর্ঘটনায়৷ পার্থক্য একটাই, পোস্তা উড়ালপুলের নির্মীয়মান অংশ ভেঙে পড়েছিল, সেখানে মাঝেরহাট উড়ালপুর ৪০ বছরের প্রাচীন৷ তাই স্বাভাবিকভাবেই সেতুর রক্ষণাবেক্ষনের বিষয়টি বড়সড় প্রশ্নের মুখে৷ তবে সবকিছুর উর্ধ্বে মানবিকতা৷ যা দেখা গেল বিরোধীদের বক্তব্যে৷ পরবর্তী সময়ে তা বজায় থাকে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন৷

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প