স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: ফের প্রশাসনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলল বাঁকুড়াবাসী৷ এবার ঘটনাস্থল বাঁকুড়ার ভগবানপুর থেকে ছাতনার হরিগ্রাম যাওয়ার পথ৷ এখানে দীর্ঘদিনের পুরনো সেতুর উপর লাগানো সংযোগকারী লোহার পাত উঠে গিয়েছে। তার ফলে ঘটছে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা। তবে, সব জেনে বুঝেও প্রশাসন নিশ্চুপ বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রসঙ্গত, আশির দশকে ৬০-এ জাতীয় সড়ক ধরে বাঁকুড়ার ভগবানপুর থেকে ছাতনার হরিগ্রাম যাওয়ার পথে অড়কষা নদীর উপর একটি সেতু তৈরি করা হয়। কিন্তু তারপর থেকে সেভাবে উল্লেখযোগ্য কোনও মেরামত হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফলে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ওই জাতীয় সড়কের উপর সেতুটির বেহাল অবস্থা হয়ে ওঠে। বর্তমানে সেতুর উপর সংযোগকারী লোহার পাত উঠে গিয়েছে। ফলে মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোটোখাটো দুর্ঘটনা৷

এদিকে, প্রতিদিন ওই রাস্তা দিয়ে প্রায় কয়েকশো যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি যাতায়াত করে। উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরাও এই রাস্তা দিয়েই জেলার বিভিন্ন অংশে যান। তারপরেও কেন সকলের অবজ্ঞা আর অবহেলার শিকার হবে গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি, কেনই বা সংস্কার হবে না এই সেতু সেই নিয়ে এখন সরগরম গোটা এলাকা।

পড়ুন: বরাত জোরে কুমিরের মুখ থেকে প্রানে বেঁচে ফিরলেন মহিলা

অন্যদিকে, স্থানীয় মুদিগোড়া গ্রামের বাসিন্দা রাজীব রক্ষিত বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন ওই সেতুর লোহার পাত উঠে রয়েছে। প্রশাসনকে এলাকার মানুষ বারবার জানিয়েছে। কোনও কাজ হয়নি। অথচ এই জাতীয় সড়কের উপর অন্যান্য সেতুগুলির প্রয়োজনীয় মেরামত হয়েছে। কিন্তু কোনও কারণে এই সেতুতে সেই কাজ বিন্দুমাত্রও হয়নি৷’’ পাশাপাশি, একই অভিযোগ জানিয়েছেন ওই পথ দিয়ে নিত্য যাতায়াতকারী গাড়ীর চালক গোপাল খাঁ। তিনি বলেন, ‘‘ওই লোহার পাত এতটাই উঠে গিয়েছে যে ওই সেতু দিয়ে পেরোনোর সময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হয়। একটু অসাবধান হলেই যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে৷’’

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি আমাদেরও নজরে এসেছে।’’ একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরেও বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান। এখন দেখার বিষয় কতদিনে এই মেরামতি কাজ শুরু হয় এখানে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।