প্রতীকী ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি সেতুর, বর্তমান সময়ে চরম বেহাল অবস্থা তার। যেকোনও সময় ঘটে যেতে পারে দূর্ঘটনা। এমনই অবস্থা বাঁকুড়ার ওন্দার রতনপুর-তালডাংরার বিবড়দা-হাড়মাসড়া রাস্তার উপর পাইকা-ভাণ্ড্যা গ্রাম সংলগ্ন জয়পণ্ডা নদীর উপর সেতুটির।

প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়েই অসংখ্য যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন যেমন যাতায়াত করে, তেমনই তালডাংরা ও খাতড়া ব্লক এলাকার একটা বড় অংশ, ইন্দপুরের সামান্য অংশের মানুষের এই রাস্তা দিয়েই বাঁকুড়া শহরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন জয়পণ্ডা নদীর উপর এই সেতুটি সংস্কার না হওয়ার ফলে বিভিন্ন অংশে ফাটল ধরেছে। পাশাপাশি সেতুর উপরে রাস্তার দু’পাশের অধিকাংশ খুঁটি যুক্ত রেলিং ভেঙ্গে পড়েছে। ফলে সামান্য অসতর্ক হলেই চালক সহ গাড়ি নদী গর্ভে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের ব্যস্ততা। বাড়ছে যানবাহন। প্রতিনিয়ত ধুঁকতে ধুঁকতে সেই চাপ নিয়ে চলেছে এই সেতু৷ ফলে এই ভগ্নপ্রায় সেতুর উপর প্রতিদিনের এই চাপে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অনেকের কপালেই। দ্রুততার সঙ্গে এই সেতু সংস্কার না হলে বড় সড় দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন অনেকে। সারা বছর এই নদীতে সেভাবে জল না থাকলেও বিশেষতঃ বর্ষায় ফুলে ফেঁপে ওঠে এই নদী। তখন সেতুর উপর দিয়ে বইতে থাকে জল। যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই অবস্থায় এলাকার মানুষ, পথ চলতি সাধারণ মানুষ থেকে গাড়ি চালক সকলেই চাইছেন দ্রুত সংস্কার করা হোক অতি গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি।

ওই রাস্তা দিয়ে বাইকে নিয়মিত যাতায়াতকারী নিমাই মান থেকে স্থানীয় বাসিন্দা টিঙ্কু মণ্ডলরা বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। যেকোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়াও এই সেতুর এতোটাই কম চওড়া যে দু’টো গাড়ি পাশ কাটানো যায়না। একই সঙ্গে বর্ষার সময় নিচু এই সেতুর উপর জল উঠে দু’পারের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। বাম কিম্বা তৃণমূল কোন সরকারের আমলেই এই সেতুর হাল ফেরেনি। সেকারণেই অতিদ্রুত সেতু সংস্কার প্রয়োজন বলে তারা জানান।

বিজেপি নেতা পার্থ কুণ্ডু বলেন, কয়েক দশক আগে জয়পণ্ডার ঐ সেতু তৈরী হয়। বর্তমান রাজ্য সরকারের উদাসীনতার কারণেই ঐ সেতুর এই হাল বলে তিনি দাবী করেন।

রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরাকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বিগত বাম সরকারের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলে তিনি বলেন, তড়িঘড়ি আর পরিকল্পনাহীনভাবে ঐ সেতু তৈরী করা হয়েছিল। সেকারণেই এই অবস্থা। জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ঐ সেতু সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ