অ্যান্টিগা: টি-২০ ও ওয়ান-ডে সিরিজ খুঁইয়ে ঘরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ভালো কিছু করতে মরিয়া ক্যারিবিয়ানরা। ঠিক সেই কারণে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের বিশেষ দায়িত্বে নিয়োগ করা হল কিংবদন্তি ব্রায়ান চার্লস লারা ও প্রাক্তন তারকা ব্যাটসম্যান রামনরেশ সারওয়ানকে।

ভারতের ক্যারিবিয়ান সফরে দু’ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে অ্যান্টিগায় আগামী ২২ অগাস্ট থেকে। তাঁর আগে দলের প্রি-সিজন ক্যাম্পে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং প্রস্তুতি খুঁটিয়ে দেখবেন দুই প্রাক্তন তারকা। কোহলিদের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর আগে ডারেন ব্র্যাভো, ক্রেগ ব্রাথওয়েটদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেবেন ত্রিনিদাদের রাজপুত্র। তাঁর সঙ্গী হবেন অভিজ্ঞ রামনরেশ সারওয়ান।

আরও পড়ুন: ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ পর্যন্ত কোচের দায়িত্বে শাস্ত্রী

ওয়েস্ট ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর জিমি অ্যাডামস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরুর আগে দলের তরুণ ব্যাটসম্যানদের কথা ভেবে লারা এবং সারওয়ান এগিয়ে আসায় আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁর কথায়, ‘আমাদের দলে বেশ কিছু তরুণ ব্যাটসম্যান রয়েছে যারা ভবিষ্যতে দলের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। বছরের শুরুতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিল। আগামিদিনে এরা দলের অপরিহার্য হয়ে উঠুক এমনটাই প্রত্যাশা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।’

আরও পড়ুন: বিদেশি লিগে ঝোড়ো হাফ-সেঞ্চুরি স্মৃতি মন্ধনার

বিষয়টি মাথায় রেখেই ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরুর আগে ব্রায়ান ও রনিকে (সারওয়ানের ডাকনাম) প্রি-সিজন ক্যাম্পে ডেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি আমরা। আমরা জানি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত বর্তমান প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করবে। বিবৃতিতে যোগ করেন অ্যাডামস।

উল্লেখ্য, ঈর্ষনীয় কেরিয়ারে ১৩১টি টেস্ট ম্যাচে কিংবদন্তি লারার সংগৃহীত রানসংখ্যা ১১,৯৫৩। ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান হিসেবে যা সর্বাধিক। একইসঙ্গে এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সংগ্রহ হিসেবে রয়েছে অপরাজিত ৪০০ রানের অতিমানবিক ইনিংস। অন্যদিকে ৮৭টি টেস্টে ৫,৮৪২ রান সংগ্রহকারী অভিজ্ঞ সারওয়ানের ঝুলিতেও রয়েছে ১৫টি শতরান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।