মুম্বই: মরুশহরে ২০২০ আইপিএলের ‘আবিষ্কার’ তিনি। টুর্নামেন্টে আরসিবি’র যতোটুকু উত্থান ছিল, সেই উত্থানের পিছনে ব্যাট হাতে অনস্বীকার্য ভূমিকা ছিল তাঁর। চলতি আইপিএল শুরুর প্রাক্কালে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় প্রথম ম্যাচে নামতে পারেননি মাঠে। দ্বিতীয় ম্যাচেও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তবে দেবদূত পারিক্কলে মজে রয়েছেন ‘ক্রিকেটের রাজপুত্র’ ব্রায়ান চার্লস লারা। এমনকি চলতি আইপিএলে বাঁ-হাতি ওপেনারের ব্যাট থেকে শতরান দেখতে চেয়েছেন ব্যাটিং কিংবদন্তি। তাও একটি নয়, দু-দু’টি।

আমিরশাহিতে গত আইপিএলে ১৫ ম্যাচে ৪৭৩ রান করা পারিক্কল চলতি আইপিএলেও জ্বলে ওঠার ইঙ্গিত দিয়েছেন ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত বিজয় হাজারে ট্রফিতে। ৫০ ওভারের ঘরোয়া টুর্নামেন্টে ৭৩৭ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন কর্ণাটকের পারিক্কল। শুধু তাই নয়, লিস্ট-এ’র ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ওই টুর্নামেন্টে টানা চার ম্যাচে শতরান হাঁকিয়ে নয়া বেঞ্চমার্ক সেট করেছেন তিনি। আর এবার আইপিএলের মঞ্চে কর্ণাটকের তরুণ ব্যাটসম্যানের কাছে কার্যত শতরানের আকুতি করলেন ‘ত্রিনিদাদের রাজপুত্র’।

গত মরশুমে আইপিএলে পারিক্কলের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা প্রসঙ্গে আরসিবি ব্যাটসম্যানকে ‘দুর্দান্ত প্রতিভা’ আখ্যা দিয়েছেন ব্রায়ান লারা। আইপিএল সপ্রচারকারী চ্যানেলের এক অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি জানিয়েছেন, ‘ও সত্যিই একজন দুর্লভ প্রতিভা। গত মরশুমে ও জোড়া অর্ধশতরান করেছিল। দুর্দান্ত ব্যাটিং’য়ে বিরাট কোহলিকে যথেষ্ট সহায়তা করেছিল। ২০২১ আইপিএলে ওঁর থেকে আমার চাওয়ার বেশ কিছু রয়েছে। ওঁর ঝুলিতে কিছু ম্যান অফ দ্য ম্যাচ এবং জোড়া তিন অঙ্কের রান দেখতে চাইছি আমি। সত্যিই দারুণ বাচ্চা ছেলেটা।’

লারা আরও বলেন, ‘কিছু জিনিস পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল। আমি নিশ্চিত সেগুলো শুধরে ও আরও শক্তিশালী হয়ে আইপিএলে ফিরে এসেছে।’ উল্লেখ্য, গত মরশুমে অধিকাংশ সময়টা অজি ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে আরসিবি ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমেছিলেন পারিক্কল। চলতি মরশুমে ফিঞ্চ না থাকায় ওপেনিং’য়ে তাঁর পার্টনার খোদ দলনায়ক বিরাট কোহলি। তাই মনে করা হচ্ছে অধিনায়কের সঙ্গ পাওয়ায় ওপেনে নেমে আরও প্রাণ খুলে খেলতে পারবেন পারিক্কল। প্রথম দু’ম্যাচে জয়ের পর টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে রবিবার কোহলির আরসিবি মুখোমুখি হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.