কলকাতা: দৈনন্দিন কাজের চাপ ও বাড়ির চাপের কারণে আমরা আজকাল দিনের বেশিরভাগ সময়েই থাকি নানা সমস্যায়। এমনকি বাড়ি ফিরে এসেও আমরা অনেকসময়ই অফিসের সমস্যা নিয়ে এমনভাবে ফেঁসে যাই যে তা নিয়ে আরো বিচলিত হয়ে যাই। কিন্তু এতে ঘেঁটে যায় আমাদের ব্যক্তিগত ও কাজের দুনিয়া। তবে তা হওয়াটা কোনোভাবেই আমাদের কাছে কাম্য নয়। কিন্তু জীবনযাপনের কিছু ছোটোখাটো বিষয়কে কন্ট্রোলে রাখতে পারলেই আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি। সেক্ষেত্রে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে আমাদের ডাক্তার দেখানোর দরকার নেই। উপরন্তু, আমরা নানা স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি অবলম্বন করলেই থাকবো শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট।

১. নিজের প্রতিটি নিঃশ্বাসের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে আমাদের। এর অর্থ হলো আস্তে আস্তে নিশ্বাস-প্রশ্বাস মেনে মস্তিস্ককে ঠান্ডা করা। অন্যান্য শরীরচর্চার মতো আপনারা এটিকেও যে কোনো সময়ে বা যে কোনো স্থানে করতে পারেন। আপনি এটা জিম লিফটিং করার সময়েও করতে পারেন। ছন্দ মেনে আপনি প্রশ্বাসের কৌশল রপ্ত করতে পারেন। মুখ বন্ধ করে কাঁধ হালকা রাখুন। ২ গুনতে গুনতে নাক দিয়ে প্রশ্বাস নিতে হবে।

২. আপনাকে সিংহের মতো গর্জন করে নিঃশ্বাস বের করতে হবে। হাঁটু গেড়ে মাটিতে বসে আপনি নিতম্বকে ছুঁয়ে রাখবেন পায়ের পাতার কাছে। হাঁটুর উপর দুই হাত রাখুন, হাতগুলি সোজা করুন এবং আঙুলগুলিকে ছড়িয়ে দিন। প্রশ্বাস নিয়েই জোরে জোরে আওয়াজ করে বাতাস ত্যাগ করতে হবে।

আরো পড়ুন- চিকিৎসকদের পরামর্শ মানুন, মনের আনন্দে গান শুনুন ইয়ারফোনে

৩. আপনার উত্তেজনা ও চাপ কমাতে এই নিঃশ্বাস- প্রশ্বাস চর্চাটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একেবারে শুয়ে পড়ে মুখ বন্ধ করুন। মুখ দিয়ে প্রশ্বাস নিতে হবে এক্ষেত্রে। তবে ফুসফুস ভরে বাতাস নেবেন না। ৬ সেকেন্ড অবধি নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন। জোর করে নিঃশ্বাস ত্যাগ করবেন না। ১০ মিনিট ধরে আপনি চর্চা করুন এই ব্যায়ামটি। শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

৪. মেঝেতে শুয়ে পড়ুন অথবা হাঁটু গেড়ে বসুন। পাঁজরের কাছে একটি হাত রাখুন ও একটি হাত বুকের উপর রাখুন। নাক দিয়ে প্রশ্বাস নিতে নিতে আপনি অনুভব করবেন যে আপনার হৃদয় থেকে বাতাস বেরোচ্ছে এবং আপনার হৃদয় চওড়া হচ্ছে। এই ছন্দে আপনি করতে থাকুন এই ব্যায়ামটি। একটা সময়ের পর আপনার মস্তিস্ক ও মন ঠান্ডা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.