নয়াদিল্লি: প্রয়াত অমর সিং। দীর্ঘদিন রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন তিনি। বেশ কয়েক বছর ধরেই অসুস্থ ছিলেন। সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল তাঁর। আজ শনিবার সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সমাজবাদী পার্টির নেতা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর।

তাঁর মৃত্যুতে ইতিমধ্যে শোকপ্রকাশ করেছেন তাবড় তাবড় রাজনীতিবিদরা। রাজনৈতিক জগতে তাঁর চলে যাওয়া বড়সড় ক্ষতি হিসাবেই দেখা হচ্ছে। একটা সময়ে দিল্লির রাজনীতিতে একটা বড় অংশে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন অমর সিং। বিরোধী হোক কিংবা শাসক, সমস্ত দলের রাজনীতিবিদদের সমান সখ্যতা ছিল তাঁর।

শুধু রাজনীতিবিদদের সঙ্গেই নয়, বলিউডের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল তাঁর। বিশেষ করে অমিতাভ বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল তাঁর। বচ্চন পরিবার এবং রাজনীতির যোগাযোগের পিছনে তাঁর অনবদ্য এক কীর্তি ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে রাজনীতি থেকে সরে যান অমর সিং।

তাঁর দীর্ঘদিনের পার্টি সমাজবাদী পার্টির সঙ্গেও ধীরে ধীরে যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে যায়। একাধিক কারণে সরে আসেন রাজনীতি থেকে। যদিও ফের রাজনীতিতে ধীরে ধীরে সক্রিয় হতে থাকেন। রাজ্যসভায় ফিরে আসেন সাংসদ হিসাবে।

রাজনৈতিকমহলের কারবারিরা মনে করেন যে, সম্ভবত ফের একবার হয়তো রাজনেতা হবেন। তাঁর কারিশ্মা দেখা যাবে রাজনীতিতে। কিন্তু সেভাবে পারছিলেন না। কারণ শরীর। ভয়ঙ্করভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

২০১৩ সালে কিডনি ফেলিওরের পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। গত কয়েকমাস যাবত আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। গত কয়েক মাস ছিলেন সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে। শেষের কিছুদিন আইসিইউ-তেও ছিলেন তিনি। গোটা পরিবার তাঁর পাশে ছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষ হল তাঁর পথ চলা। চলে গেলেন অমর সিং।

ইতিমধ্যে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি বলে সোশ্যাল মিডিয়াতে বার্তা রাজনাথের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ