কলকাতা: রাজীব কুমারকে বদলি করল রাজ্য সরকার। সিআইডি(এডিজি) পদ থেকে বদলি করা হল প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে। বদলি করে তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি হিসাবে নিযুক্ত করা হল তাঁকে। একেবারে পুলিশ থেকে প্রশাসনে বদলি করা হল কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন নগরপালকে।

বাংলাতে এমন নজির নেই। তবে তেলেঙ্গানা সহ আরও এক রাজ্যে এমন উদাহারণ রয়েছে। কিন্তু পুলিশ থেকে সরাসরি প্রশাসনের কাজে নিয়োগ, এটাই ব্যতিক্রমী। আজ বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। ইতিমধ্যে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও প্রাক্তন নগরপালের কাছে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। খুব শীঘ্রই নয়া পদে কাজে রাজীব কুমার যোগ দেবেন বলে জানা যাচ্ছে।

চিটফান্ড কান্ডে সিবিআই নজরে রয়েছেন রাজীব কুমার। দফায় দফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়াও এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও চলছে। সেই কাজে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে তাঁকে। ঠিক মতো রাজীব কুমার সময় দিতে পারছিলেন না। এমনটাই জানা যাচ্ছে। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি লক্ষ্য করেছিলেন। সিআইডি দফতরে যে এর ফলে ভালো কাজ হচ্ছে না, সেটাও অনুধাবন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেজন্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.